অসুস্থতার সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের পরে ২০২৫ সালে প্রয়াত হন ধর্মেন্দ্র। তার মৃত্যুর পরেই তাঁকে পদ্ম-পুরস্কারে সম্মানিত করার কথা ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। ২৫ মে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে স্বামীর মরোণত্তর পদ্মবিভূষণ গ্রহণ করেন ধর্মেন্দ্রের দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী। পুরস্কার গ্রহণের সময়ে চোখের কোণ চিকচিক করে ওঠে অভিনেত্রীর। এ দিন নাকি ধর্মেন্দ্র তাঁর সঙ্গেই ছিলেন।
আরও পড়ুন:
হেমার কথায়, ‘‘মহামান্য রাষ্ট্রপতি যোগ্যদের হাতে এই পুরস্কার তুলে দিচ্ছিলেন, আমি তখন ধরমজির প্রতিনিধি হয়ে বসেছিলাম। গর্বে আমার মাথা উঁচু হয়ে যাচ্ছিল। তাঁর সঙ্গে কাটানো স্মৃতিগুলো মনের মধ্যে ভিড় করে আসছিল— কত কত হিট সিনেমার সহ-অভিনেতা ছিলেন তিনি। পরে আমার জীবনসঙ্গী হলেন। অতীতের এই ভাবনাগুলো মনে পড়তেই চোখে জল চলে আসে।”
হেমা জানান, সোমবার ওই ঘরে প্রতি মুহূর্তে তিনি তাঁর স্বামীর উপস্থিতি অনুভব করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমার মনে হল, ধরমজি আমার হাত ধরে মঞ্চে নিয়ে গেলেন, যেখানে ওঁর পদ্মবিভূষণ সম্মান অপেক্ষা করছিল।’’ হেমা মালিনী জানান, তিনি ধর্মেন্দ্রের অজস্র অনুরাগীর হয়ে এই সম্মান গ্রহণ করেন। তিনি ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ, এমন এক জন জীবনসঙ্গী তাঁকে দেওয়ার জন্য। বাবা এমন সম্মান পাওয়ায় গর্বিত তাঁর দুই কন্যা, ঈশা ও অহনা। তবে বাবার পদ্মসম্মান পাওয়া নিয়ে এখনও পর্যন্ত নীরব সানি ও ববি।