Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৩ জানুয়ারি ২০২২ ই-পেপার

বিরতির পর প্রিয়ঙ্কা

পারমিতা সাহা
০৩ মার্চ ২০১৭ ০০:০৪

প্র: ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ছবির ন’বছর বাদে আবার রাজ চক্রবর্তীর পরিচালনায় ‘চ্যাম্প’ ছবিতে কাজ করছেন। ‘চিরদিনই...’ করার পরই কিন্তু রাজের সঙ্গে আপনার এবং রাহুলের প্রচণ্ড ঝামেলা হয়। তারপর থেকে আপনাকে আর রাজের ছবিতে দেখা যায়নি!

উ: হ্যাঁ, আমি রাজদা’র কাছে খুবই গ্রেটফুল যে, আমাকে আবার ‘চ্যাম্প’-এর মতো ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ একটা চরিত্রে ভেবেছেন। ছবিতে আমি একজন উঠতি নায়িকা, যার বাবা মানে দীপকদা’র (চিরঞ্জিৎ) কাছে দেব বক্সিংয়ের ট্রেনিং নিতে আসে। তারপর দেবের সঙ্গে আমার একটা বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। আসলে আমার সঙ্গে রাজদা’র সম্পর্ক কোনও দিনই খারাপ হয়নি। তবে বহু দিন কোনও যোগাযোগ ছিল না।

প্র: তাই কি? ঝামেলার কারণেই কিন্তু আপনি ‘চ্যালেঞ্জ’ বা ‘প্রেম আমার’-এর মতো ছবি ছেড়ে দিয়েছিলেন!

Advertisement

উ: দেখুন, ঝামেলাটা রাহুলের সঙ্গে রাজদা’র হয়েছিল এবং ওপেনলি হয়েছিল, সেটা প্রায় সকলেই জানেন। তখন আমি চাইনি আমার আর রাহুলের সম্পর্কে সেটা কোনওভাবে ছায়া ফেলুক। তাছাড়া বয়সটাও ছিল মাত্র ১৭। ম্যাচিওরিটিও কম ছিল। তবে সেই সিদ্ধান্তের জন্য আমার কিন্তু কোনও আফসোস নেই। গত বছর জ়ি ওরিজিনালসেও রাজদা’র প্রোডাকশনে ‘সেলফির ফাঁদে’ ছবিটা করেছিলাম।

প্র: যে সম্পর্কটার জন্য আপনি এত কিছু ছেড়েছিলেন, সেটাই আজ নেই! সত্যিই দুঃখ নেই?

উ: আমি রিগ্রেট করায় বিশ্বাসী নই। ছবি না করার সিদ্ধান্ত আমার ছিল. রাহুলের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার কোনও মানে নেই, এটাও আমিই ঠিক করেছি। চুটিয়ে কাজ করছি। ‘আমার আপনজন’, ‘ছায়া ও ছবি’, ‘যকের ধন’ ছবিগুলো মুক্তির অপেক্ষায়। কেরিয়ার এখন জীবনের ফোকাস, তবে সেটা সহজকে অবহেলা করে নয়।

প্র: সহনায়িকার চরিত্রে এখন আপনাকে বাছা হচ্ছে!

উ: আমার এখনও অনেক সময় আছে। আজ আমার একটা সুনাম আছে যে, আমি মোটামুটি ভালই অভিনয় করি। আর আমার তো অভিনয়ের স্কুলিং নেই, নাটকের ব্যাকগ্রাউন্ড নেই। শেখাটা পুরোপুরি কাজ করতে-করতে। স্বপন সাহা, রিংগো, সৃজিত মুখোপাধ্যায়... সব ধরনের পরিচালকের সঙ্গে কাজ করেছি। ।

প্র: রাহুলের সঙ্গে বিয়ে তোমার বাড়ি মেনে নেয়নি। এই বিচ্ছেদকে তাঁরা কীভাবে নিয়েছেন?

উ: নিজে মা হয়ে বুঝতে পারি যে, কনসার্নটা কোথা থেকে ছিল। তবে সেটা বুঝতে আমার অনেকটা সময় লেগেছে। আমার বাবার প্রথম চিন্তা ছিল, মেয়েটা বখে না যায়, যেটা এখন আর নেই। বাবা যখন দেখছে, আমি নিজের একটা পরিচয় তৈরি করার চেষ্টা করছি, এখন আর কিছুই বলার নেই। আর এখন তো সহজ এসেছে। সবকিছু বদলে গিয়েছে। ওঁরা আমার কামালগাজির ফ্ল্যাটে মাঝেমধ্যেই সহজকে দেখতে আসেন।

প্র: কেরিয়ারকে না বেছে প্রেমকে বেছে নেওয়া, কী বলবেন এই সিদ্ধান্তকে? ভুল?

উ: একেবারেই না। এই সম্পর্কটা না হলে জীবনের অনেক সুন্দর মুহূর্ত মিস হয়ে যেত। তাই যে সিদ্ধান্ত আমি নিয়েছি, সচেতনভাবে নিয়েছি। সব কিছুর জন্য আমি ভগবানের কাছে কৃতজ্ঞ।

আরও পড়ুন

Advertisement