২০১৪ সালে বীর দাসের সঙ্গে ‘রিভলভার রানি’ ছবিতে কাজ করেন কঙ্গনা রনৌত। এই ছবির শুটিং চলাকালীন বীরের ঠোঁটে নাকি কামড় বসান কঙ্গনা। শুধু তা-ই নয়, কামড়ের তীব্রতা নাকি এমনই ছিল যে, বীরের ঠোঁট কেটে রক্তরক্তি কাণ্ড ঘটে। এমনটাই দাবি করেন সাংবাদিক সিমি চন্দোক। এ বার সাংবাদিকের এ হেন দাবির পাল্টা কঙ্গনাকে নিয়ে মুখ খুললেন বীর। চুপ করে থাকেননি কঙ্গনাও।
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে এসে সিমি জানান, ওই ছবির একটি দৃশ্যে বীরকে চুমু খাওয়ার কথা ছিল কঙ্গনার। সেই ঘনিষ্ঠ দৃশ্যটি করার সময়ে নাকি আবেগে বয়ে যান অভিনেত্রী। পরিচালক ‘কাট’ বলার পরেও চলতে থাকে চুম্বন। থামেননি কঙ্গনা। পরিস্থিতি নাকি এমন হয় যে, বীরের ঠোঁট কেটে রক্ত বার হতে থাকে। সিমি জোর গলায় এই দাবি করেন। এমনকি তিনি দাবি করেন, বীরকে সরাসরি এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনিও স্বীকার করবেন।
এর দিনকয়েকের মধ্যেই সিমির দাবিকে সম্পূর্ণ নস্যাৎ করেছেন বীর। তিনি কঙ্গনাকে পেশাদার অভিনেত্রীর তকমা দিয়ে সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘‘এই গল্পটা পুরোপুরি তৈরি করা। কঙ্গনা এবং আমি দু’জনেই পেশাদার শিল্পী। কঙ্গনা অত্যন্ত গুণী অভিনেত্রী। এ ভাবে তাঁর ভাবমূর্তিতে আঘাত করা, খুব অনৈতিক কাজ। হ্যাঁ, এটা ঠিক যে কঙ্গনা কয়েক বছর আগে আমাকে ‘সন্ত্রাসবাদী’র তকমা দিয়েছিলেন। কিন্ত সেটে আমাদের কোনও সমস্যা হয়নি।’’
২০২১ সালে আমেরিকার একটি অনুষ্ঠানে ‘দুই ভারতীয়’র গল্প শোনান বীর। সেই অনুষ্ঠানের ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়তেই গেরুয়া শিবিরের কটাক্ষের শিকার হয়েছিলেন অভিনেতা। সেই সময়ে কঙ্গনাও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছিলেন। শুধু তা-ই নয়, কঙ্গনা তখন কটাক্ষ করে বলেছিলেন, বীর আসলে সন্ত্রাসবাদীর সমান। এই নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়েছিল। যদিও তার পরে বিষয়টি থিতিয়ে যায়।
এ বার চুম্বন-বিতর্কে বীরের তরফ থেকে সমর্থন পেয়ে নেটপ্রভাবী সাংবাদিক সিমিকে পাল্টা দেন কঙ্গনাও। বীরের পোস্টেই অভিনেত্রী লেখেন, ‘‘ধন্যবাদ বীর, কিন্তু উনি কে? ইশ! মনে হচ্ছে কোনও বিকৃত মানসিকতার কেউ আমাদের নিয়ে এ সব বলে নিজের পাশবিক যৌন চাহিদা পূরণ করতে চাইছেন। আমি নাকি তোমার রক্ত খেয়েছি, আর সেই কারণে তুমি এখনও, এক দশক পরেও কান্নাকাটি করছ। কী অদ্ভুত!’’