দেশের কোনও নির্বাচিত সরকারের (কেন্দ্র এবং রাজ্য) প্রধান হিসাবে সবচেয়ে বেশি দিন কাজ করার রেকর্ড গড়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সম্প্রতি তাঁর সাফল্যের মুকুটে এই পালক যুক্ত হয়েছে। এই বিষয় নিয়েই উচ্ছ্বাস শিল্পীমহলের একাংশের। এ বার নিজের ছবিমুক্তির দিনই প্রধানমন্ত্রীর জন্য পুজোপাঠে ব্যস্ত কঙ্গনা রনৌত।
কঙ্গনা থাকেন হিমাচল প্রদেশে। কিন্তু, প্রধানমন্ত্রীর জন্য পুজো দিতে তিনি ছুটলেন জোধপুরের গণেশ মন্দিরে। গুজরাতিদের সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত পাটোলা শাড়ি পরেই মন্দিরে গেলেন কঙ্গনা। পুজো দেওয়ার পরে অভিনেত্রী বলেন, ‘‘আমি ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ যে, তিনি এই নজির গড়তে পেরেছেন। আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করতেই পুজো দিতে এসেছি।’’
কঙ্গনার বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে মোদীর উপর। তাঁর কথায়, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই দেশ নতুন উচ্চতায় পৌঁছোবে। সরকারি প্রকল্পগুলিকে একেবারে তৃণমূল স্তরে পৌঁছে দিতে সাহায্য করছেন দলের কর্মীরা।’’ শুধু তা-ই নয়। কঙ্গনা জানান, প্রধানমন্ত্রীর কাজের অনুপ্রেরণা হল এই কর্মীরা। উল্লেখ্য, মোদীর প্রধানমন্ত্রিত্বের এক যুগ পার হওয়া নিয়ে উচ্ছ্বসিত সারা দেশ। তবে এরই পাশাপাশি, এই ১২ বছরে বিজেপি সরকার তথা মোদীর সাফল্য ও ব্যর্থতার হিসাবনিকাশও করছে দেশবাসী। কঙ্গনার মতো শিল্পীমহলের একটা বড় অংশ নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন গায়ক অনুপ জলোটা থেকে অভিনেত্রী নীতু চন্দ্র। অভিনেত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী বহু বছর ধরে দেশের উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছেন। নীতুর আশা, প্রধানমন্ত্রী নারীদের উন্নয়নের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেবেন।
আরও পড়ুন:
অনুপের আশা, আরও কয়েক বছর প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মোদীই থাকবেন। ‘মোদীজি’ বলে সম্বোধন করে তিনি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “এর আগে কোনও প্রধানমন্ত্রী এত দীর্ঘ সময় এই পদে ছিলেন না। ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নেহরুজিও এত দিন ছিলেন না। মোদীজি নেহরুজির চেয়েও বেশি সময় এই দায়িত্বে রয়েছেন। আমি চাই, মোদীজি স্থায়ী প্রধানমন্ত্রী হয়ে থাকুন। আমি অন্য কাউকে চাই না। আমি চাই তিনি সব সময়ে থাকুন। তিনি দেশের অনেক উন্নতি করেছেন।”
অন্য দিকে রাজনীতিতে এসেই ‘জয়’ পেয়েছিলেন কঙ্গনা। তবে রাজনীতি এখন সেই ভাবে নাকি উপভোগ করছেন না, এ কথা নিজেই জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। কিছু দিন আগেও তেমন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি! রাজনীতিক হিসাবে নিজেকে নিয়ে নাকি সারা ক্ষণ সংশয়ে থাকেন কঙ্গনা। মন্ডীর সাংসদ তিনি।