সদ্য পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন শেষ হয়েছে। ভোটের ফলপ্রকাশ আগামী সপ্তাহে। তার আগে রাজনীতিবিদ-অভিনেতা শ্বশুরমশাইকে নিয়ে মুখ খুললেন মদালসা শর্মা। মিঠুন চক্রবর্তীর বড় ছেলে মহাক্ষয় চক্রবর্তী ওরফে মিমোর স্ত্রী তিনি। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, শ্বশুরমশাই হিসাবে মিঠুন অত্যন্ত উদারচেতা। আজ পর্যন্ত নাতি-নাতনির জন্য চাপ দেননি।
পরিবার পাশে থাকলে জীবন অনেক সহজ হয়ে ওঠে, দাবি মদালসার। উদাহরণ হিসাবে তিনি তুলে ধরেছেন তাঁর শ্বশুরবাড়ির ছবি। মদালসার কথায়, “আমার শ্বশুরবাড়ির প্রত্যেকে ভীষণ ভাল, সবটা বোঝেন। আজ পর্যন্ত কোনও কিছু আমার উপরে চাপিয়ে দেননি।” বিয়ের পরে অনেক নারীর উপরেই পোশাক, সাজগোজ, কাজ এমনকি সন্তানধারণ নিয়েও কিছু না কিছু মতামত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রীর দাবি, “মিঠুন চক্রবর্তী অত্যন্ত উদারচেতা। তিনি নারীবাদী পুরুষ। সব রকম স্বাধীনতা তিনি আমাকে দিয়েছেন।” মদালসা জানিয়েছেন, তিনি একই স্বাধীনতা পেয়েছেন শাশুড়ি যোগিতা বালীর থেকেও।
আরও পড়ুন:
মিঠুনের মতোই মদালসা উচ্ছ্বসিত তাঁর স্বামীকে নিয়েও। বলেছেন, “ছোটপর্দায় অভিনয় করছি বলে পরিবারের কোনও আপত্তি নেই। বরং, প্রত্যেক দিনের শুটিংয়ের হাজারো ঝক্কি মিমো হাসিমুখে সামলায়। কত দিন শুটিং শেষ করে ফিরতে দেরি হয়েছে। এই নিয়ে মিমো কোনও কথা বলেনি। আমি আজ যতটুকু, সবটাই ওর জন্য।” ছোটপর্দায় কাজ করা নিয়েও মিঠুন উৎসাহিত করেছেন তাঁর পুত্রবধূকে, সাক্ষাৎকারে সেই বক্তব্যও উঠে এসেছে। মদালসা জানিয়েছেন, মিঠুন তাঁকে মন দিয়ে ছোটপর্দায় কাজ করে যেতে বলেছেন। কারণ, ছোটপর্দা খুব তাড়াতাড়ি দর্শকের কাছে অভিনেতাকে পৌঁছে দিতে পারে। মদালসার দাবি, “ধারাবাহিক ‘অনুপমা’য় অভিনয় করে আমি যা খ্যাতি পেয়েছি, তা ২০-২২টা ছবির সমান!”
একই সঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তীর পুত্রবধূর দাবি, তিনি, মিমো এবং বাড়ির বাকিরা খুবই সাধারণ ভাবে জীবন কাটাতে ভালবাসেন। তাই নিজেদের কাজ বা অন্যান্য বিষয় নিয়ে ‘রিল’ বানালেও ক্যামেরার সামনে কখনও ‘লোকদেখানো ভালবাসা’র মুহূর্ত ভাগ করে নেন না।