১৯৮৯ সালের কথা। মাধুরী দীক্ষিতের ঝুলিতে তখন সবে কয়েকটা হিট ছবি। অমিতাভ বচ্চনের বিপরীতে ‘শনাক্ত’ ছবিতে নায়িকা হিসাবে মাধুরীকে বেছে নেন পরিচালক টিনু আনন্দ। চিত্রনাট্যের প্রয়োজনে নাকি নায়িকাকে ব্লাউজ় খুলে ক্যামেরার সামনে অন্তর্বাস দেখাতে হত। প্রথমে রাজিও হয়েছিলেন অভিনেত্রী। কিন্তু শুটিংয়ের দিন নাকি প্রায় ৪০ মিনিট নিজেকে সাজঘরে আটকে রাখেন তিনি। মত বদলান নিজের। তখন কী করেন পরিচালক?
আরও পড়ুন:
মাধুরী নাকি প্রথমে চিত্রনাট্য পড়ে ওই দৃশ্যে অভিনয় করার জন্য রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু শুটিংয়ের সময়ে পরিচালক তাঁকে ব্লাউজ় খুলতে বললে বেঁকে বসেন মাধুরী। শট তৈরি, অমিতাভ অপেক্ষা করছেন। কিন্তু, কিছুতেই নাকি তখন ঘর থেকে বেরোতে চাননি মাধুরী। পরিচালক গিয়ে দেখা করতেই মাধুরী জানান, তিনি এমন কোনও শট দেবেন না যেখানে তাঁকে অন্তর্বাস পরে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে হবে। তাতেই চটে যান টিনু।
প্রথমে নাকি মাধুরীকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়। অমিতাভও বিষয়টায় হস্তক্ষেপ করেন। কিন্তু, তার পরেও রাজি হননি মাধুরী। শেষমেশ টিনু নাকি রীতিমতো তাড়িয়ে দেন মাধুরীকে। চূড়ান্ত অপমানিত হন অভিনেত্রী। এই প্রসঙ্গে টিনুর দাবি, ‘‘আমি মাধুরীকে পুরো দৃশ্যটি বর্ণনা করেছিলাম। সেই সময় ওঁকে বলেছিলাম যে, তোমাকে ব্লাউজ় খুলতে হবে এবং তোমাকে অন্তর্বাস দেখাতে হবে। আমি লুকিয়ে কিছু শুট করতে চাই না। চিত্রনাট্যে সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং আমি প্রথম দিনেই এর শুটিং করতে চাই। মাধুরী রাজি হয়ে যায়। তার পর বেঁকে বসে।’’
আসলে শুটিংয়ের দিন মাধুরী বার বার বলতে থাকেন যে, তিনি ওই দৃশ্যে স্বচ্ছন্দ্য বোধ করছেন না। কিন্তু, টিনুও অনড় ছিলেন নিজের সিদ্ধান্তে। শেষপর্যন্ত সেই ছবি আর তৈরিই হয়নি। মাত্র পাঁচ দিনেই বন্ধ হয় শুটিং।