×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

০৪ অগস্ট ২০২১ ই-পেপার

Viral: ‘কে আপন কে পর’-এর জবাকে বিয়ে করলেন ‘সা রে গা মা পা’ খ্যাত নোবেল?

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ২৪ মে ২০২১ ১৯:৩২
‘কে আপন কে পর’ ধারাবাহিকের জবার সঙ্গে বিয়ে করে ফেললেন ‘সা রে গা মা পা’ খ্যাত নোবেলম্যান।

‘কে আপন কে পর’ ধারাবাহিকের জবার সঙ্গে বিয়ে করে ফেললেন ‘সা রে গা মা পা’ খ্যাত নোবেলম্যান।

কাউকে না জানিয়ে ‘জবা বৌদি’ বিয়েটা করেই ফেলল, এমনই কথা বার্তা চলছে নেটমাধ্যমে। জানা গিয়েছে, ‘কে আপন কে পর’ ধারাবাহিকের জবার সঙ্গে বিয়ে করে ফেললেন ‘সা রে গা মা পা’ খ্যাত নোবেলম্যান। সম্প্রতি তেমনই একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে নেটমাধ্যমে।

কবে আর কী ভাবে ঘটল এই ঘটনা? সত্যি কি তাঁরা এখন বিবাহিত? এমন অনেক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে মানুষের মনে।

বর্তমানে আধুনিক প্রযুক্তি দ্বারা খ্যাতনামীদের ছবি কাটাছেঁড়া করা যদিও নতুন ঘটনা নয়। তেমনই একটি ঘটনা ঘটল এই ক্ষেত্রেও। সংগীতশিল্পী নোবেলের এক বছর পুরনো একটি ছবি টেনে এনে এক জন নেটাগরিক এক অকল্পনীয় ঘটনা ঘটিয়ে বসলেন।
গত বছর ৩ ফেব্রুয়ারি নোবেলম্যান সংহিতা ঘোষের সঙ্গে একটি ছবি ইনস্টাগ্রামে দেন। ছবিতে দেখা যায় নোবেল ও সংহিতা ঘোষ দু’জনে একটিই ফুলের মালা গলায় দিয়ে আছেন। প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেই ছবিতে সংহিতা ঘোষের মুখে ‘কে আপন কে পর’ ধারাবাহিকের অভিনেত্রী পল্লবীর মুখ বসিয়ে দিলেন সেই নেটাগরিক। তার পর সেই ছবি নেটমাধ্যমে দিয়ে লিখলেন, ‘কাউকে না জানিয়ে জবা বৌদি বিয়েটা করেই ফেলল’ ।

Advertisement
ভাইরাল ছবি ও আসল ছবি।

ভাইরাল ছবি ও আসল ছবি।


মন্তব্য বিভাগে এক জন নেটাগরিক উপহাস করে লেখেন , ‘আহারে শেষ পর্যন্ত মানসিক রুগী সামলানোর দায়িত্ব নিয়েছেন আমাদের প্রিয় জবা বৌদি’ । আবার কেউ লেখেন , ‘বিগত ১০ বছর ধরে স্টার জলসায় যা যা কীর্তি দেখিয়েছেন, আরও আগেই ওনার নোবেল পাওয়া উচিত ছিল’।
কেউ কেউ তাঁদের বিয়ে নিয়ে সত্যিই উৎসাহী, কেউ আবার হেসে উড়িয়ে দিয়েছেন।

যে ছবি থেকে সংহিতা ঘোষের মুখ কেটে অন্য ছবি তৈরি হল, সেই ছবি নিয়ে আগেই নেটমাধ্যমে কটূক্তির শিকার হয়েছিলেন নোবেল। তুমুল সমালোচনার মুখে পরেন তিনি। পাশাপাশি জবা চরিত্রটিতে অভিনয়ের জন্য ‘পল্লবী শর্মা’-কে আগেও বহু বার কটাক্ষ করা হয়েছে নেটপাড়ায়। কখনও ধারাবাহিকে কাঁচি দিয়ে বোমের তার কাটার জন্য আবার কখনও আগুনের ওপর দিয়ে হেঁটে আগুন নেভানোর জন্য। এ বারে দু’জনে এক ছবিতে বন্দি হয়ে কটাক্ষের শিকার হলেন।

Advertisement