পরিচালক মহেশ ভট্টের বর্ণময় জীবন। প্রথম স্ত্রী কিরণ ভট্টের সঙ্গে বিচ্ছেদ না করেই আলিয়া ভট্টের মা সোনি রাজ়দানকে বিয়ে করেন। দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন বলে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করতে হবে, এই ধারণায় বিশ্বাসী ছিলেন না পরিচালক। যদিও প্রথম স্ত্রী কিরণের সঙ্গে বিয়ের বছরকয়েকের মধ্যেই প্রেমে পড়েন অভিনেত্রী পরভীন বাবীর। একটা সময়ে পরভীনের সঙ্গেই থাকতেন মহেশ। বাবার এ হেন সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ খুললেন পূজা।
আরও পড়ুন:
১৯৭৭ সালে মহেশের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান পরভীন। মহেশ এবং পরভীনের প্রেমকাহিনি বলিপাড়ার অন্যতম চর্চিত বিষয়। পরভীনের মৃত্যুর দিন পর্যন্ত সেই প্রেম ঘিরে আলোচনা হয়েছিল। পরভীনের প্রেমে পড়েছিলেন বিবাহিত মহেশ। তাই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে সেই সময় বিশেষ আলোচনা হয়েছিল। তখন বলিপাড়ার তারকা নায়িকা পরভীন। সেই সময় স্ত্রীকে ছেড়ে অভিনেত্রীর সঙ্গে একত্রবাস শুরু করেছিলেন মহেশ। তবে তাঁদের প্রেম পরিণতি পায়নি। বরং যত দিন গড়িয়েছে, ততই উথাল-পাথাল হয়েছে তাঁদের প্রেমপর্ব। তাঁদের প্রেমের বছর দুয়েকের মধ্যেই ছন্দপতন ঘটে। মানসিক রোগ ঘিরে ধরে পরভীনকে। স্কিৎজ়োফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত হন পরভীন।
তবে মেয়ে পূজা এতে দোষের কিছু দেখেননি। তাঁর কথায়, ‘‘বাবা বাড়িতে ঢুকে বৌয়ের সঙ্গে থাকবে আর বাইরে দু’শ মহিলার সঙ্গে প্রেম করে বেড়াবে, তার থেকে বরং তাঁর জীবনে যে নতুন মানুষ এসেছেন, তাঁকেই গ্রহণ করেছেন। সেই মর্যাদা দিয়েছেন। আমার বাবা কখনও কারও হাত ছেড়ে দেননি।’’ পাশপাশি পূজা এ-ও জানান যে, পুরুষ বলেই যা খুশি করতে পারবেন, এমন অধিকার তাঁদের পরিবারে নেই। পূজা জানান, পরভীনের অসুস্থতার কারণে সম্পর্ক থেকে সরে আসেন মহেশ। যদিও একাধিক বার পরভীনকে সুস্থ করার চেষ্টা করেন তিনি। তবে কাজ হয়নি। ‘অর্থ’ ছবির সময়ে সম্পর্ক ভেঙে যায় দু’জনের। ২০০৫ সালে মৃত্যু হয় অভিনেত্রীর। সে দিনও তাঁকে সমাধিস্থ করতে তাঁর অন্তিমযাত্রায় শামিল ছিলেন একমাত্র মহেশ।