৯ কোটি টাকার ঋণ নিয়ে ফেরত দিতে পারেননি। তাই দিল্লি হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তিহাড় জেল কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করেন অভিনেতা। কেমন আছেন তিনি সংশোধনাগারের ভিতর? শোনা যাচ্ছে, বলিউড অভিনেতা বলে তাঁকে বিশেষ কোনও সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না।
জানা গিয়েছে, রাজপাল সংশোধনাগারের যেখানে রয়েছেন, সেখানে একসময় ছিলেন ছোটা রাজন ও নীরজ বাওয়ানা। বলিউড অভিনেতা সংশোধনাগারে কোনও রকমের বিশেষ সুবিধা, খাওয়াদাওয়া, থাকার ব্যবস্থা পাচ্ছেন না। বিশ্রামও নির্দিষ্ট সময়ের বেশি করছেন না তিনি।
আরও পড়ুন:
প্রতিদিন সকাল ৬টায় এক কাপ চা আর জলখাবার দেওয়া হচ্ছে রাজপালকে। সন্ধ্যা ৬টা বাজতেই তাঁকে রাতের খাবার দেওয়া হচ্ছে। তার পরে নাকি আর কোনও খাবার খাওয়ার অনুমতি নেই। খাবারের মধ্যে দেওয়া হচ্ছে ভাত, ডাল, রুটি আর তরকারি। তবে সংশোধনাগারের অন্য বন্দিরা নাকি রাজপালকে দেখে খুব উচ্ছ্বসিত। বলিউড তারকার এক ঝলক দেখার জন্য তাঁরা নাকি মুখিয়ে থাকেন। কিন্তু নিরাপত্তার জন্য রাজপালের সঙ্গে কারও দেখা করার অনুমতি নেই।
এই প্রথম নয়। এর আগেও সংশোধনাগারে থেকেছেন রাজপাল। ২০১৮ সালে ‘অতা পতা লাপতা’ ছবি তৈরি করার জন্য ৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ফেরত দিতে পারেননি তিনি। তাই সেই সময়েও ৩ মাস সংশোধনাগারে ছিলেন তিনি। পরে এক সাক্ষাৎকারে রাজপাল জানিয়েছিলেন, তিনি সেই তিন মাস নানা শিক্ষণীয় কাজ করেছিলেন। অন্য বন্দিরা তাঁর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। টানা তিন মাসে তাঁর বিরুদ্ধে নতুন কোনও অভিযোগও ছিল না। তাই সংশোধনাগার থেকে বেরোনোর সময়ে সবাই তাঁর প্রশংসা করেছিলেন।