৯ কোটি টাকার ঋণ শোধ করতে না পারার অভিযোগে আইনি জটিলতায় পড়েছিলেন রাজপাল। নিজেই তিহাড় জেলে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। ১২ দিন জেলে থাকার পর অবশেষে অন্তর্বতী জামিনে ছাড়া পেলেন তিনি। মঙ্গলবার বেলা পড়তেই জেল থেকে বেরিয়ে আসেন রাজপাল।
তাঁকে ঘিরে অনুরাগীদের ভিড়। সকলেই রাজপালের কথা শুনতে চান। জেল থেকে বেরিয়ে রাজপাল বলেন, ‘‘৩০ বছর ধরে বলিউডে কাজ করছি। বলিউডের প্রতিটি মানুষ, সাধারণ মানুষ থেকে ছোট শিশুরা, সকলেই আমার সঙ্গে ছিল।’’ শুধু দেশের নাগরিকদের নয়, দিল্লি হাইকোর্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাজপাল বলেন, ‘‘আমি আদালতের প্রতিটি শুনানিতে ছিলাম, আগামী দিনে সব শুনানিতে উপস্থিত থাকব। আমি ১৫০ কোটি মানুষের থেকে যে ভালবাসা পেয়েছি, তা ভাষায় প্রকাশ করার নয়। ধন্যবাদ আদালতকে আমার পক্ষের সত্যটা তুলে ধরার সুযোগ দেওয়ার জন্য।’’ আগামী ১৮ মার্চ রাজপাল মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।
উল্লেখ্য, রাজপালের বিরুদ্ধে ‘চেক বাউন্স’ সংক্রান্ত অভিযোগ থেকে এই মামলার সূত্রপাত। অভিযোগকারীপক্ষের আইনজীবী অবনীত সিংহ সিক্কার দাবি, রাজপাল মোট সাতটি চেকে সই করেছিলেন। প্রতিটির অঙ্ক ছিল দেড় কোটি টাকা। চেক বাউন্স হওয়ার পরে আদালত প্রতিটি মামলায় তাঁকে তিন মাস করে কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। সেই সঙ্গে প্রতিটি চেকের জন্য ১ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা করে জরিমানাও ধার্য করা হয়।