চুম্বন বিতর্কের পরে আবার আলোচনায় সঙ্গীতশিল্পী উদিত নারায়ণ। গায়কের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন তাঁর প্রথম স্ত্রী রঞ্জনা নারায়ণ ঝা। শুধু উদিত নন, তাঁর দুই দাদা সঞ্জয় কুমার ঝা ও ললিত নারায়ণ ঝা এবং গায়কের দ্বিতীয় স্ত্রী দীপা নারায়ণের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেছেন তিনি। রঞ্জনার দাবি, চিকিৎসার নাম করে ষড়যন্ত্র করে তাঁর অজ্ঞাতে জরায়ু অপসারণ করা হয়েছিল।
পুলিশ সূত্রে খবর, রঞ্জনা অভিযোগে লিখেছেন, বিহারের সুপৌল জেলার চন্দ্রকান্ত ঝায়ের মেয়ে তিনি। এখন তাঁর বয়স ৬১ বছর। ১৯৮৪ সালের ৭ ডিসেম্বর হিন্দুমতে উদিত তাঁকে বিয়ে করেন। তাঁর দাবি, ১৯৮৫ সালে উদিত তাঁকে রেখে মুম্বই চলে আসেন। তাঁকে না জানিয়েই সেখানে দীপাকে বিয়ে করেন উদিত।
দিনকয়েক আগেও উদিতের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলেছিলেন রঞ্জনা। পরে সব মিটিয়ে দুই স্ত্রীর সঙ্গেই সুসম্পর্ক রেখে চলতেন গায়ক। এ বার রঞ্জনার অভিযোগ, ১৯৯৬ সালে উদিতের এক দাদা চিকিৎসার জন্য তাঁকে নিয়ে গিয়েছিলেন দিল্লি। রঞ্জনার দাবি, সেই সময়েই তাঁকে না জানিয়ে জরায়ু অপসারণ করা হয়। তখন হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন উদিতের দ্বিতীয় স্ত্রী দীপাও। এর পরে চিকিৎসার জন্য বেশ কিছু পরীক্ষা করিয়েছিলেন রঞ্জনা। তখনই জানতে পারেন তাঁর শরীরে জরায়ু নেই।
উদিতের প্রথম স্ত্রী আরও অভিযোগ জানান। তাঁর দাবি, ২০০৬ সালে যখন তিনি মুম্বইয়ে এসেছিলেন তখন উদিত এবং তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী বাড়িতে ঢুকতে দেননি, খুবই খারাপ ব্যবহার করেছিলেন। পরে নেপালে যখন শ্বশুরবাড়িতেও তিনি যান, সেই বাড়ি থেকেও তাঁকে জোর করে বার করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তার পর থেকে রঞ্জনা নিজের বাবার বাড়িতেই আছেন। তার পরে যখন রঞ্জনা সুপৌলের পারিবারিক আদালত এবং মহিলা কমিশনের দ্বারস্থ হন, তখন উদিত তাঁকে প্রথম স্ত্রী হিসাবে গ্রহণ করেছিলেন এবং রফাচুক্তিও হয়েছিল। আদালতে দেওয়া প্রতিশ্রুতিরও কোনও সম্মান করেননি উদিত, অভিযোগ রঞ্জনার।