‘পদ্মাবত’ ছবিতে কাজ করার আগে নিজেকে ২১ দিনের জন্য গৃহবন্দি করেছিলেন রণবীর সিংহ। ছবিমুক্তির পরে তাঁর প্রশংসা হয়েছিল দিকে দিকে। অনুরাগীদের একাংশ অবশ্য বলছে, ‘ধুরন্ধর’-এ রণবীরের অভিনয় ‘পদ্মাবত’কেও ছাপিয়ে গিয়েছে। নিজে কী মনে করছেন রণবীর? তা জানালেন রণবীরের ব্যবসায়িক-সঙ্গী নিকুঞ্জ বিয়ানি।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিকুঞ্জই জানান, রণবীরের জন্য তাঁর কোন ছবিটি ‘চ্যালেঞ্জিং’ ছিল। নিকুঞ্জ বলেন, “আমি ‘ধুরন্ধর’-এর দুটি ভাগই মুক্তির পরে প্রথম দিনেই দেখেছি। দারুণ লেগেছে আমার। আমার মতে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ সেরা ছবি। প্রথম ভাগটাও ভাল লেগেছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ভাগ আরও ভাল।”
‘পদ্মাবত’-এ আলাউদ্দিন খিলজির চরিত্রে অভিনয় করার জন্য ২১ দিন নিজেকে বাড়ির মধ্যে আটকে রেখেছিলেন রণবীর। ‘ধুরন্ধর’-এ জসকিরত বা হামজ়ার চরিত্রের জন্যও কি এমন কিছু করেছিলেন রণবীর? এই প্রশ্ন বলি-তারকাকে করেছিলেন নিকুঞ্জ। তখন নাকি তাঁকে রণবীর বলেছিলেন, “শিল্পী হিসাবে এই (ধুরন্ধর) ছবির চরিত্র ফুটিয়ে তোলা আমার জন্য বেশি চ্যালেঞ্জিং ছিল। আমার থেকে এই চরিত্রটা অনেক কিছু নিংড়ে নিয়েছে। আমি খুব গভীরে চলে গিয়েছিলাম। নিজের ৩০০ শতাংশ দিয়েছি এই চরিত্রের জন্য।”
২০১৯ সালে মুক্তি পায় ‘পদ্মাবত’। সেখানেও তাঁর অভিনয় দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন দর্শক। তখন এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “গোরেগাঁও-এর বাড়িতে আমি নিজেকে ২১ দিন আটকে রেখেছিলাম। নিজেকে সকলের থেকে আলাদা করে ফেলেছিলাম। আলাউদ্দিন খিলজি চরিত্রটি একেবারেই আমার মতো নয়। তাই ওই চরিত্রে প্রবেশ করতে আমাকে সকলের থেকে আলাদা হতে হয়েছিল। খিলজির মতো আকাঙ্ক্ষা, লোভ, কূটনীতি আমার মধ্যে নেই। ফলে নিজেকে অন্ধকারের মধ্যে রাখতে হয়েছে।”
উল্লেখ্য, প্রেক্ষাগৃহে এখনও রমরমিয়ে চলছে রণবীর অভিনীত ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’।