আবার বিতর্কের কেন্দ্রে অভিনেতা ও টেলিভিশন তারকা প্রিন্স নারুলা। কাজ করিয়ে টাকা না দেওয়ার অভিযোগ উঠল প্রিন্সের বিরুদ্ধে। অভিযোগ তুললেন হিট্জ়োন নামে পরিচিত এক র্যাপার। প্রিন্সের জন্য দু’টো গান লিখে ও তৈরি করে প্রাপ্য পারিশ্রমিক পাননি হিট্জ়োন, অভিযোগ এমনই। সমাজমাধ্যমে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি।
র্যাপার হিট্জ়োন ও প্রিন্স নারুলা একসঙ্গে ‘ব্যাং ব্যাং’ নামক একটি গানে কাজ করেছেন। ইউটিউবে একটি ভিডিয়োবার্তায় হিট্জ়োনের দাবি, প্রিন্সের সঙ্গে তিনি আরও একটি গানে কাজ করেছেন, যেটি এখনও মুক্তি পায়নি। তবে দু’টি গানের জন্য কোনও পারিশ্রমিক পাননি বলে অভিযোগ হিট্জ়োনের। তিনি বলেন, “আমি বাকিদের জিজ্ঞাসা করতে চাই, র্যাপাররা কি রোজগার করতে পারছেন? ভুল বললাম, ‘রোডিজ়’-এর বিচারক কি রোজগার করতে পারছেন? যদি আয় করতে পারছেন তা হলে শিল্পীদের প্রাপ্য টাকা কেন খেয়ে নিচ্ছেন?” প্রসঙ্গত, ‘রোডিজ়’-এর অন্যতম বিচারক প্রিন্স নারুলা।
‘ব্যাং ব্যাং’ গানটি চলতি বছরে মুক্তি পায় নারুলার ইউটিউব চ্যানেল থেকে। র্যাপারের দাবি, তিনি প্রিন্সের সহকারী দলের সঙ্গে কথা বলে জানার চেষ্টা করেন যে, কী ভাবে গানের পারিশ্রমিক দেওয়া হবে। কিন্তু, প্রিন্সের ম্যানেজার নাকি জানান যে, এমন কোনও বিষয়ে তিনি অবগতই নন। তাঁকে অপেক্ষা করতে বলা হয়।
র্যাপার জানান, শুরুতে অপেক্ষা করতে কোনও সমস্যা মনে হয়নি তাঁর। কারণ, সেখানে পাঁচ-ছ’টা গান হওয়ার কথা ছিল। তাঁর বিশ্বাস ছিল যে, শেষপর্যন্ত টাকা তিনি পেয়েই যাবেন। তবে তাঁর অভিযোগ, প্রিন্সের টিমের পক্ষ থেকে বলা হয় যে, বাকি গানগুলো অন্য কোনও গানের সংস্থাকে বিক্রি করা যেতে পারে অথবা র্যাপার নিজের ইউটিউব চ্যানেলেই প্রকাশ করতে পারেন। কিন্তু, প্রিন্স নাকি উচ্চমানের ভিডিয়োর দাবি করেন, যে খরচ হিট্জ়োনের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়।
আরও পড়ুন:
তিনি ভি়ডিয়োয় বলেন, “৩-৪ দিন আগে, প্রিন্স ভাইকে বলি যে, হাসপাতালের বিল দিতে হবে। আর বিল দেওয়ার সময়ে পারিশ্রমিকই প্রয়োজন হয়, গানের ‘ক্রেডিট’ কাজে লাগে না। আমি ওঁকে ‘ব্যাং ব্যাং’ আর এর পরে যে গানটি বেরোবে সেটার পারিশ্রমিক চেয়ে মেসেজ করি। বলি, আমি সমস্যায় আছি। ওঁর উত্তর আসে, ‘কিসের পারিশ্রমিক’?” এর সঙ্গে বেশ কিছু ‘ভয়েস নোট’ও প্রকাশ্যে আনেন তিনি। যেখানে শোনা যাচ্ছে যে, প্রয়োজনে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন প্রিন্স। তিনি বলেন, “আমি আমার গান লেখার পারিশ্রমিক চাইছি। ৫০ হাজার, ১ লাখের জন্য ঘ্যানঘ্যান করছি না। যে পারিশ্রমিকে রাজি হয়েছিলাম, সেটাই চেয়েছি।” গোটা ঘটনায় এখনও পর্যন্ত প্রিন্স প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। কোনও বিবৃতিও দেননি।