বলি মহলে ‘ফিটনেস ফ্রিক’ হিসেবে সুনাম রয়েছে অভিনেত্রী শিল্পা শেট্টির।স্বাস্থ্য নিয়ে বরাবরই সচেতনশিল্পাসম্প্রতি একটি আয়ুর্বেদ কোম্পানির ‘স্লিমিং পিল’-এর ১০ কোটি টাকার বিজ্ঞাপনের অফার ফিরিয়েদিয়েছেন। কিছুদিন আগেই সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে ‘ওয়ার্ক আউট’ অ্যাপ চালু করেন শিল্পা। ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুকেও মাঝে মাঝে ছড়িয়ে দেন তাঁর ফিটনেস মন্ত্র।

তবে কেন ওই লোভনীয় অফার ছাড়লেন? শিল্পার বক্তব্য,“যে জিনিসে বিশ্বাস নেই, তার বিজ্ঞাপন করতে পারব না। খুব কম সময়ে রোগা হওয়ার জন্য স্লিমিং পিল আকর্ষণীয় হতে পারে। কিন্তু আমি মনে করি, শরীর সুস্থ রাখতে সুষম ডায়েট এবং সঠিক রুটিন মেনে চলার থেকে ভাল কিছু হতে পারেনা।”

স্থূলত্ব মানেই— খাপছাড়া, বিসদৃশ। মোটা হওয়া যেন অন্যায়। এই ধারণাকেই প্রশ্রয় দিয়ে এসেছে বাজারে চালু ওই রোগা হওয়ার পিলগুলি। তামাম বলি অভিনেতারাও বডি শেমিং নামক সামাজিক ব্যাধি থেকে রেহাই পাননি। কিছুদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছিল, নিজের শারীরিক গঠন নিয়ে কথা বলতে বলতে কাঁদছেন অভিনেত্রী বিদ্যা বালন। কতবার চেহারা নিয়ে বিভিন্ন বিদ্রুপ শুনতে হয়েছে তাঁকে,  সে কথাও তিনি খুলে বলেছিলেন ওই ভিডিয়োয়।

আরও পড়ুন- ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’-এর রিমেকে কারা? কর্ণ জোহর বললেন...

 

আরও পড়ুন- মুভি রিভিউ: হাল না ছাড়ার আখ্যান শোনায় ‘মিশন মঙ্গল’

 

শুধু বিদ্যাই নন, কোনও না কোনও সময় বডি শেমিং-এর স্বীকার হয়েছিলেন অক্ষয় কুমার, অর্জুন কপূর, সোনাক্ষি সিনহার মতো অভিনেতারাও। শুধু যে স্থূলকায় ব্যক্তিরাই বডি-শেমিং এর স্বীকার হন এমনটা নয়। বছর দুয়েক আগে ইনস্টাগ্রামে ছবি পোস্ট করে ট্রোলড হন  টেলি তারকা অনেরি ভজানি।নায়িকার রোগা চেহারা নিয়ে বিদ্রুপ করেছিলেন অনেকেই। একটু নিয়ম মেনে চললেই যে সুস্থ থাকা যায়, দরকার হয় না কেমিকাল যুক্ত কোনও স্লিমিং পিলের— সে বার্তাই দিলেন শিল্পা শেট্টি।