‘লাইভ’ অনুষ্ঠান করতে হলে যে কোনও শিল্পী এবং আয়োজকদের নানা দফতরের অনুমতি নিতে হয়। যার ফলে অনেক সময়েই বড় আকারের অনুষ্ঠানের দিন ক্ষণ পিছিয়ে যাওয়ার বা বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। এ বার মহারাষ্ট্রে লাইভ ইভেন্টের জন্য প্রস্তাবিত ‘সিঙ্গল-উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স সিস্টেম’ ধীরে ধীরে বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে। এই উদ্যোগে খুশি সঙ্গীতশিল্পী নিকিতা গান্ধী।
নতুন এই ব্যবস্থায় পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিক কর্তৃপক্ষ-সহ সব ধরনের অনুমতি একটি জায়গা থেকেই পাওয়া যাবে। যার ফলে গোটা প্রক্রিয়া অনেকটাই সহজ ও স্বচ্ছ হবে বলে আশা করা যায়। এই ধরনের জটিলতার কারণে, অনেক শিল্পীই সমস্যায় পড়েছেন। নিকিতা জানিয়েছেন, বিভিন্ন দফতর থেকে অনুমতি না পাওয়ার জন্য এমন অনেক সময়েই হয়েছে যে, তাঁর অনুষ্ঠান পিছিয়ে গিয়েছে।
নিকিতা বলেন, “এই বিষয়ে যতটুকু পড়েছি, আমার মনে হয় এটি দারুণ একটি পদক্ষেপ। শেষ মুহূর্তে অনুমতি না পাওয়ার কারণে অনুষ্ঠান বাতিল বা স্থগিত হয়ে যাওয়া খুবই হতাশাজনক। এই মাসেই আমি এমনই একটি অনুষ্ঠানের অংশ ছিলাম। যা তিন বার পিছিয়ে গিয়েছে।”
২৫ এপ্রিল মুম্বইয়ে একটি অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত তারিখের মাত্র তিন-চার দিন আগে যা পিছিয়ে দেওয়া হয়। নিকিতা বলেন, “একটি অনুষ্ঠানের নেপথ্যে অনেক মানুষ, সময়, পরিশ্রম এবং পরিকল্পনা জড়িয়ে থাকে। সেখানে এমন জটিল অনুমতিপ্রক্রিয়া সত্যিই কষ্টদায়ক।” তবে অনুমতিপ্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি নিরাপত্তা যেন কোনও ভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়েও জোর দিয়েছেন নিকিতা।
এই ধরনের ইভেন্ট বাতিল বা পিছিয়ে যাওয়ার প্রভাব শুধু শিল্পীদের উপরেই নয়, দর্শকের উপরেও পড়ে। টিকিটের টাকা ফেরত, নতুন তারিখে সমন্বয়—সব মিলিয়ে এক বড় ধরনের ভোগান্তি তৈরি হয়। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে এই উদ্যোগ সত্যিই খুবই ইতিবাচক বলে মত তাঁর।