এ বারের মতো বিষয়টি ঠান্ডা মাথায় সামলে নিয়েছেন। তা বলে প্রত্যেক বার তাঁর মাথা ঠান্ডা থাকবে, এমন কোনও কথা নেই। তখন হয়তো যে ভাবে ব্যাপারটা সামলেছেন, আর সেটা পারবেন না। সমাজমাধ্যমে এমনই আভাস দিয়ে বার্তা দিলেন সোনু নিগম! লিখলেন, “কেন মার খাওয়ার মতো কাজ করেন? এ বার বাঁচালাম। প্রত্যেক বার বাঁচাতে পারব না।”
কী ঘটেছে সোনুর সঙ্গে? কাকে সতর্ক করলেন গায়ক? কেনই বা করলেন? খবর, কোলাপুরে মঞ্চানুষ্ঠান করতে গিয়ে বিপত্তি। গায়ক তখন গানে মগ্ন। মাঝপথে এক অনুরাগী হঠাৎ লাফিয়ে উঠে পড়েন মঞ্চে। জোর করে পা ছুঁতে চান তাঁর। গান থামিয়ে দেন সোনু। প্রায় সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীরা এগিয়ে আসেন। কিন্তু, সোনু তাঁদের থামিয়ে দেন।
বদলে তিনি ভক্তকে কাছে ডেকে নেন। তাঁকে মঞ্চে গাওয়ার সুযোগও করে দেন। সেই যুবক মঞ্চে তাঁর প্রিয় গায়কের গান পরিবেশন করেন। গেয়ে ওঠেন ‘তু নে তো, পল ভর মে, চোরি কিয়া রে জিয়া’। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার আগেই বদলে যায় চারপাশ। উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা উপভোগ করেন সোনুর এই আচরণ। গান শেষ করে ভক্ত মঞ্চ থেকে নেমে গেলে আবার শুরু হয় অনুষ্ঠান। সোনুও মজার ভাবভঙ্গি করে ওঠেন। মঞ্চের সেই মুহূর্ত পরে সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নেন তিনি। সেখানেও অনুরাগীরা প্রশংসায় ভরিয়ে দেন তাঁকে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিয়ো ভাগ করে নেওয়ার সময়েই বিবরণীতে হুঁশিয়ারি বার্তাটি লেখেন সোনু। তাঁর বক্তব্য থেকে পরিষ্কার, গানের মাঝখানে এরকম বাধা পড়লে অসুবিধাই হয় গায়কদের। তাই ভক্তদের এমন আচরণ কাম্য নয়। একই ভাবে শিল্পীর মানসিকতা সব সময়ে এক রকম থাকে না। ফলে, এই ধরনের ঘটনা নিয়মিত ঘটতে থাকলে রোজ তাঁদের পক্ষেও বিষয়টি ঠান্ডা মাথায় সামলানো সম্ভব নয়।