Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৭ নভেম্বর ২০২১ ই-পেপার

সৌমিত্র জন্মদিন সংখ্যা ১

আমি এখন পুরনো প্যান্টের ছেঁড়া পকেট, ঝাড়লে শুধু মৃত্যু সংবাদ বেরোয়

০৮ জানুয়ারি ২০১৬ ০০:০১
ছবি সৌজন্য: ‘পিস হ্যাভেন’

ছবি সৌজন্য: ‘পিস হ্যাভেন’

আর দশ দিন বাদে আপনার জন্মদিন। একাশি হবে? না বিরাশি?

বিরাশিতে পা দেব।

Advertisement

এখনকার জন্মদিনগুলোয় কি একটা বিপন্নতা ক্রমশ গ্রাস করে না যে, আমার বগিটা মৃত্যু নামক টার্মিনাল স্টেশনের আরও কাছে চলে এল?

জন্মদিনে অত মনে হয় না, জানো? জন্মদিনে মানুষ এত স্নেহ, আবেগ আর শ্রদ্ধা নিয়ে ঘিরে থাকে যে ভাবা যায় না। ফুল দেয়, উপহার দেয়, প্রণাম করে — কী বলব যে!

আপ্লুত হয়ে যান?

এক্স্যাক্টলি, আপ্লুত হয়ে যাই। চোখে এক এক সময় জল এসে যায়। এই বুড়ো বয়সে নিজের ইমোশনগুলোকে কনট্রোল করা মুশকিল হয়ে যায়। মনে হতে থাকে, সত্যি সত্যি কী এমন করেছি যে, বাঙালি আমায় এত ভালবাসে? নিজের জীবনটা তখন আত্মানুসন্ধান করতে, ভাবতে শুরু করি। কিছুই তো পারিনি। জীবনটা কি তা হলে বাজেই গেল? অ্যালবার্ট সোয়াইৎজারের কথা মনে হতে থাকে তখন। তিনি পরিপূর্ণ শিল্পী-জীবনকে এক কথায় পরিত্যাগ করে আফ্রিকার লেপার্ড-অধ্যুষিত জঙ্গলে সমাজসেবার জন্য চলে গিয়েছিলেন। কত বড় স্যাক্রিফাইস। এটা আমি করতে পারলে মনে হত জীবনটা সার্থক। তার মুরোদ তো আমার নেই।

তখনই মানুষের যা নেচার, আমি সেলফ জাস্টিফিকেশন খুঁজতে থাকি। আমি নিজের সঙ্গে প্রায়ই কথা বলি। নিজেকে বলি, এই যে এত কিছু করলে, এ সব কেন? তুমি পাশ দিয়ে গেলে ওই যে ছেলেগুলো আজও চিৎকার করে, দ্যাখ, দ্যাখ, স-উ-মি-ত্র স-উ-মি-ত্র যাচ্ছে, তার জন্য তো নয়। এটা নিশ্চয়ই লক্ষ্য ছিল না? আমি তো চেয়েছিলাম, আমি হেঁটে গেলে লোকে বলবে, ওই যে যাচ্ছে! ওর মতো অভিনয় কেউ করতে পারে না। আদারওয়াইজ এই জীবনের কী মানে? মানুষের কী উপকার করতে পারলাম? তখন নিজেকে বোঝাই, অভিনয়ের মাধ্যমে যেটুকু আনন্দ বিতরণ করতে পেরেছি, সেটাও তো এক অর্থে মানুষের সেবা। সেটাও তো একটা উপকার।

জন্মদিনে হয় না বলছেন। অন্য সময়ে হয় মৃত্যুচিন্তা?

অবশ্যই হয়। নিয়মিত ভাবে। তা ছাড়া প্রতিদিনই প্রায় মৃত্যুসংবাদ পাই। তোমাদের জেনারেশন কিছু দিন পরে পাবে। না কি শুরু হয়ে গেছে?

শুরু হয়ে গেছে হাল্কা করে।

হাঃ, আমার তো নৈমিত্তিক ব্যাপার। সকালে ফোন এলেই ভয় হয়, আবার বোধ হয় কোনও মৃত্যুসংবাদ এল। এই তো আজ সকালেই আমার বন্ধু অশোক পালিত ফোন করল। বলল, ‘‘হ্যাঁ রে পুলু, দ্বিজেন (নাট্যশিল্পী) নাকি খুব অসুস্থ!’’ আমি বললাম হ্যাঁ, অসুস্থ ছিল বেশ। এখন বেটার। তবে শুনেছিস তো নলিনী মারা গেছে। নলিনীর সঙ্গে আমরা সেই সময় কফি হাউসে আড্ডা মারতাম। অশোক বলল, হ্যাঁ, পেয়েছি। এ রকমই সব দৈনন্দিন আদানপ্রদান হতে থাকে। আমি-আমরা এখন আসলে সব পুরনো প্যান্টের ছেঁড়া পকেট। পকেট ঝাড়লে টাড়লে তামাকের টুকরো আর ছেঁড়া কাগজ ছাড়া কিছু বেরোয় না। মৃত্যুসংবাদগুলো হল এক-একটা ছেঁড়া কাগজ।



আপনার আজ যে ছবিটা রিলিজ করল, সেই ‘পিস হ্যাভেন’-তো আদ্যন্ত মৃত্যু সম্পর্কিত একটা ফিল্ম। তাতে একটা সংলাপ আছে, এই যে পঁচাত্তরটা বছর কাটাইলাম, তার ইকুয়েলটুটা (=) ভাইব্যা দেখস কখনও? আপনাকেও জিজ্ঞেস করি, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের জীবন ইকুয়েলটু কী?

আমি বলব, লাইফ ইজ দ্য আনসার টু লাইফ। আমার জীবনই জীবনের উত্তর। আর কিছু নয়। এটা আমি বারবার বলে এসেছি। তোমাকেও একই কথা বলব।

আপনাকে যদি ক্রিকেটের ভাষায় কোয়ান্টিফাই করতে বলি যে আপনি কত ব্যাটিং, কী বলবেন?

মানে?

মানে আপনার শারীরিক স্কোর তো ৮১ ব্যাটিং। টেকনিক্যালি ওটাই আপনার স্কোর। পেশাগত জীবনে আপনি ঠিক কত ব্যাটিং?

উ উ উ। একটু ভাবতে দা’ও।

সৌমিত্রদা বিনয় করবেন না। মনের কথাটা বলবেন।

বোধহয় সেঞ্চুরির কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছি। আর এত লোক যখন আশীর্বাদ করছে, শুভেচ্ছা জানাচ্ছে, আই অ্যাম এক্সপেক্টেড টু গেট আ হান্ড্রেড।

পরজন্মে বিশ্বাস করেন?

করতে পারলে ভাল হত। কিন্তু এখনও তার প্রমাণ পাইনি। তাই নিজের সঙ্গে সমঝোতা করতে হয় যে একটাতেই সব শেষ।

তবু ওপরে গিয়ে যদি বেঁচে থাকা বলতে কিছু থাকে, কাকে কাকে মিট করবেন?

একটু ভাবি।



প্রথম পাঁচ ভাবুন। প্রথম কি সত্যজিৎ রায়?

না, প্রথমে আমার বাবা। তিনিই আমার প্রকৃত শিক্ষাগুরু। আমার পরম বন্ধু। আমার প্রেরণা। ওঁর সঙ্গে দেখা করার পর সত্যজিৎ রায়। তার পর শিশির ভাদুড়ি, ভানুদা (ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়)- কে খুঁজব।

চারে কি উত্তমকুমার?

অবশ্যই। আমার ভীষণ বড় বন্ধু ছিল। দাদা ছিল। তার চলে যাওয়া যে মৃত্যুশোক দিয়ে গেছে তার সঙ্গে বোধহয় আর কিছুই তুলনীয় নয়।

রবি ঘোষ?

হ্যাঁ, রবি তো আছেই। কিন্তু আমি চাইব, যাদের সঙ্গে এ জীবনে দেখা হয়নি, তাদের সাগ্রহে মিট করতে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর! আহা, যদি একবার রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে দেখা করা যায়!

রবীন্দ্রনাথ যে আপনার মজ্জায়, বহু বার বলেছেন। আপনার কাছে আসার আগে এক বিখ্যাত শিল্পীকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, এমন তিনটে রবীন্দ্রসঙ্গীত বাছুন যাতে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে ব্যাখ্যা করা যায়। যাতে আপনার বৈশিষ্ট্য নিখুঁত ভাবে ফুটে ওঠে।

কাকে জিজ্ঞেস করলে?

শ্রাবণী সেন। শ্রাবণী তিনটে গান বেছেছেন। ‘একলা চলো রে’। আপনার স্পিরিটটা যে, আর কেউ থাকুক না থাকুক, আমি একলা আছি। ‘এই লভিনু সঙ্গ তব সুন্দর হে সুন্দর’। সবাই আপনার মতো রূপবান, খ্যাতনামা পুরুষের সঙ্গ অভিলাষী। আর ‘আকাশ জুড়ে শুনিনু, ওই বাজে ওই বাজে’। এর মধ্যে কোন রবীন্দ্রসঙ্গীতটা সবচেয়ে বেশি করে ‘সৌমিত্র’?

‘আকাশ জুড়ে শুনিনু’ আমার ভীষণ প্রিয় গান। কী রকম যেন মনে হয়, রবীন্দ্রনাথের কনসেপ্টটা এই গানের মাধ্যমে আমার ভেতর সঞ্চারিত হয়। রবি ঠাকুরের এই গানের একটা ছায়াপাত আমার মধ্যে দেখতে পাই।

আপনার ব্যাকগ্রাউন্ডটা স্পোর্টস বলে আরও বেশি করে জিজ্ঞেস করছি।

বলো।

স্পোর্টসের দুনিয়ায় একটা কথা চলে যে, গোয়িং আউট অন আ হাই। চড়চড়ে সূর্যালোকে চলে যাও। ‘বেলাশেষে’র এ রকম সাফল্য। আপনি মুখ্য চরিত্র। কখনও কেন মনে হল না যে, এ বার যাই? এটাই তো সরে যাওয়ার বেস্ট সময়?

আমি মনে করি জাস্ট রিমেইনিং অ্যালাইভটা কোনও জীবন নয়। ইফ ইউ আর নট বিয়িং কালচারালি অ্যালাইভ। ইফ ইউ আর নট বিয়িং ক্রিয়েটিভলি অ্যালাইভ। ইফ ইউ আর নট বিয়িং ক্রিটিক্যালি অ্যালাইভ। তা হলে তুমি বেঁচে নেই। আমার কাছে সেটা জীবন নয়। তা হলে তুমি জাস্ট শারীরিক ভাবে বেঁচে আছ। যেটা আমার কাছে মূল্যহীন।

তা হলে তো পেনশন প্রাপকদের তালিকায় আপনি কোনও দিন নাম ঢোকাবেন না।

কীসের পেনশন। একটা কথা বোঝার চেষ্টা করো যে, আমি শালা কোনও টাকাই করতে পারিনি। টাকার দিকে তাকালে আমার চোখ চকচক করেছে সব সময়। কিন্তু কী করে যে টাকা করব, সেটা তখনও বার করতে পারিনি। যৌবনে আসলে একটা ভ্রান্ত ধারণাও ছিল যে টাকাটা গৌণ। ক্রিয়েটিভ স্যাটিসফ্যাকশনটাই আসল। এটা প্রায় গভীর বিশ্বাসে ঢুকে গিয়েছিল।



‘টাকা মাটি, মাটি টাকা’র মতো?

ওটা অবশ্য একটা অসামান্য ফিলোজফি। যার অর্থ বেশির ভাগ মানুষ ধরতে পারে না। এটা ঠিকই যে, ভ্রান্ত একটা বিশ্বাস চালাত। তারপর যখন রিয়্যালিটিটা বুঝতে পারলাম...

তা হলে তো সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের জীবনে রিটায়ারমেন্ট শব্দটাই থাকবে না?

দেখো গৌতম, একটা খুব সত্যি কথা বলি। আমি এখানে একজন সোশ্যাল আইকন। সে ভাবেই আমাকে দেখা হয়। আমি বিয়েবাড়িতে কোনও গিফট দেওয়া মানে, লোকে উল্টেপাল্টে দেখে সৌমিত্র চাটুজ্জে কী দিল দেখি তো। অথচ আমার সোশ্যাল স্টেটাস আর ইকোনমিক স্টেটাসের মধ্যে ভয়ঙ্কর বৈপরীত্য। বাঙালি আমাকে যত শ্রদ্ধার চোখেই দেখুক, তীক্ষ্ণ বাস্তব হল, কলকাতা শহরের কর্পোরেট দুনিয়ার অন্তত এক হাজার কর্মী আমার চেয়ে বেশি রোজগার করে। আমাকে তো জীবনধারণের জন্য কাজ করে যেতেই হবে।

আপনার যখন প্রথম ক্যানসার ধরা পড়ল, মুখচোখ দেখে মনে হত আপনি খুব ভয়ার্ত। এখন কী অবলীলায় সেটাকে হারিয়ে পরের পর ছবি করছেন। ‘বেলাশেষে’ করলেন। ‘অহল্যা’ করলেন। আজ ‘পিস হ্যাভেন’ বার হচ্ছে। বচ্চনের সঙ্গে কাজ করার জন্য সুজিত সরকারের অফার আপনার সামনে...

আসলে ক্যানসার ডিটেক্টেড হওয়াটা একটা ভয়ানক ধাক্কা। আমার বন্ধুরা শক খাওয়ার মতো তখন বলেছিল, কী রে পুলু বলছিস কী! আমার দাদা প্রচণ্ড আপসেট হয়ে গেলেন। এদের আতঙ্কিত হাবভাব দেখে আমি আরও নার্ভাস হয়ে গেলাম। মৃত্যু তো জানিই — একদিন যেতে হবে। কিন্তু ক্যানসার মানে তো প্রচণ্ড যন্ত্রণা দিয়ে মৃত্যু। মনে মনে ভাবলাম, আমি এর কাছে সাবমিট করব? এই রোগটাকে শিরোধার্য করব? করলে তো হয়েই গেল। তার চেয়ে ফাইট করে দেখি না। আমার আশ্রয় এ সব জায়গায় একমাত্র আমিই হতে পারি। ঠিক করলাম, যা থাকে কপালে, আমিই লড়ব।

যে কোনও দুর্যোগে পতনের মুখে কী ভাবে মোটিভেট করেন নিজেকে?

কোনির একটা বিখ্যাত সংলাপ আছে, যা প্রায় আইকনিক হয়ে গিয়েছে। খিদ্দা বলছে, ‘‘ফাইট কোনি, ফাইট।’’ আমিও চূড়ান্ত বিপর্যয়ে নিজেকে বলি, ফাইট, সৌমিত্র ফাইট।

যুবরাজ সিংহের ক্যানসার নিয়ে ফিরে আসাটা কি কোনও অনুপ্রেরণা ছিল?

অবশ্যই। আমি তো বলব, যুবরাজের পরীক্ষা আমার থেকে অনেক কঠিন ছিল। আমি তো জানি, জীবন শেষ দিকে চলে এসেছে। আর কী আছে? গেলে যাবে। কিন্তু যুবরাজের সামনে তো এত বড় জীবন পড়ে রয়েছে। সেখানে দাঁড়িয়ে কী সাঙ্ঘাতিক অ্যাডজাস্টমেন্ট করেছে ছেলেটা!



সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় মারা যাওয়ার সময় আপনাকে খুব শোকার্ত দেখিয়েছিল। কেঁদে ফেলেছিলেন আপনি।

সুনীলের সঙ্গে শেষের দিকে অনেকগুলো বছর সামাজিক ভাবে দেখাশোনার পথ খুব প্রশস্ত ছিল। প্রগাঢ় বন্ধুত্ব তৈরি হয়ে যায়। শক্তিও খুব বন্ধু ছিল। কিন্তু শক্তির সঙ্গে তো আর সামাজিক ভাবে দেখাসাক্ষাতের সুযোগ হওয়া সম্ভব ছিল না (হাসি)।

তুলনামূলক ভাবে সুচিত্রা সেন মারা যাওয়ার সময় আপনাকে কিন্তু শোকবিহ্বল দেখায়নি।

উনি আমার চেয়ে বয়সে বড়। এমন একটা বয়সে উনি পৌঁছে গিয়েছিলেন, যাকে বলা যেতে পারে মৃত্যুর অবধারিত বলয়।

তবু সুচিত্রা সম্পর্কে স্বাভাবিক ভাবে আপনি খুব নিশ্চুপ। আপনার এত ঘনিষ্ঠ সহকর্মী। তিনি এত বছর লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে গেলেন, আপনি কোনও যোগাযোগেরই চেষ্টা করলেন না। এটা আশ্চর্য নয়?

উনি তো নিজেই যোগাযোগ রাখতেন না। আমার ধারণা, শেষ দিকে উত্তমদার সঙ্গেও ওঁর যোগাযোগ ক্ষীণ হয়ে আসে।

সেটাই একদিন মুনমুন বলছিলেন যে সঞ্জীবকুমারকে বার কয়েক বাড়িতে এসে থাকতে দেখেছিলেন। কিন্তু উত্তমকে এক বারের বেশি দেখেননি।

বললাম তো, শেষ দিকটা কিছু বোধহয় মনোমালিন্য হয়েছিল দু’জনের। আমি অবশ্য আমার মেয়ের বিয়ের নেমন্তন্ন করতে একবার সুচিত্রা সেনের বাড়িতে গিয়েছিলাম। সেটা ওঁর সঙ্গে পনেরো বছর পর দেখা।

এটাই চূড়ান্ত আশ্চর্যজনক না যে দু’জনে দক্ষিণ কলকাতায় থেকেও দেখা হল পনেরো বছর বাদে?

(নীরব)

আচ্ছা, একটা কথা বলুন, আপনি কখনও সুচিত্রা সেনের প্রেমে পড়েননি?

না।

কী বলছেন সৌমিত্রদা? আমাদের অফিসের দফতরে আজও সেই বিখ্যাত ছবিটা ঝোলে। ‘সাত পাকে বাঁধা’র প্রিমিয়ারে আপনার পাঞ্জাবি টেনে ছিঁড়ে দিচ্ছেন সুচিত্রা।

সে তো পার্টির একটা ঘটনা।

এ রকম একজন রূপবতী মহিলা শুভেচ্ছার আতিশয্যে টেনে আপনার পাঞ্জাবি ছিঁড়ে দিচ্ছেন। আর আপনি তাঁর প্রেমে পড়লেন না? হতে পারে?

(পরের কিস্তি সোমবারের আনন্দplus-এ)

আরও পড়ুন

Advertisement