বরাবর মুখোশে ঢাকা থাকে তাঁর মুখ। তাঁর গানের অসংখ্য অনুরাগী হলেও, তাঁকে আসলে কেমন দেখতে কেউ জানতেন না। কিন্তু নূপুর সেননের বিয়েতে ফাঁস হয়ে যায় ভিডিয়ো। সেখানে প্রকাশ্যে আসে তাঁর মুখ। তার পরেই নাকি মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলেন তলবিন্দর সিংহ সিদ্ধু।
২০১৮ সালে সঙ্গীতজগতে প্রবেশ তলবিন্দরের। তার পর থেকে বেশ কিছু গান তাঁর সফল। কিন্তু কখনওই নিজের মুখ প্রকাশ্যে আনেননি। ঢেকে রেখেছিলেন নানা রকম মুখোশে। গত জানুয়ারি মাসে নূপুর ও স্টেবিন বেনের বিয়ের আসরে দেখা যায় তলবিন্দরের মুখ। সঙ্গে ছিলেন আলোচিত প্রেমিকা ও অভিনেত্রী দিশা পটানী। তলবিন্দরের বক্তব্য, “আমি ঘুম থেকে উঠে ভিডিয়োটা দেখি। সর্বত্র আমার মুখের ছবি ঘুরছিল সেই দিন। সে সব দেখে আমার মাথার ঠিক ছিল না। মনে হচ্ছিল, আমার থেকে আমার মুখটা যেন কেউ ছিনিয়ে নিয়েছে। গোটা পৃথিবী ওলট-পালট হয়ে গিয়েছে মনে হচ্ছিল।”
ক্ষোভ উগরে দিয়ে তলবিন্দর বলেন, “লোকজন ওই ভিডিয়ো নিয়ে নিজেদের কনটেন্ট বানাচ্ছে। এই ভিডিয়ো কত টাকার বিনিময়ে ফাঁস করা হয়েছিল? ৫ হাজার, ১০ হাজার না কি ৫০ হাজার? আপনারা তো একজনের স্বপ্নকেই হত্যা করে ফেললেন।” মানুষের শোনার জন্য গান তৈরি করেন তিনি, দেখার জন্য নয়। তাই শুধু নিজের কণ্ঠকেই নিজের পরিচয় বানাতে চান তিনি, মুখকে নয়। জানান তলবিন্দর।
আরও পড়ুন:
এর পাশাপাশি দিশার সঙ্গে প্রেমের জল্পনা নিয়েও মুখ খুলেছেন তলবিন্দর। নূপুরের বিয়ে থেকেই জল্পনা ছড়ায়, তিনি দিশার সঙ্গে প্রেম করছেন। তলবিন্দর নিজেই বললেন, “আমি প্রেমে পড়েছি।” পঞ্জাবি গায়কের স্বীকারোক্তি, “আমরা সদ্য পরস্পরকে চিনছি। ওই বিয়েবাড়িতে যাওয়ার ঠিক আগেই আমাদের পরিচয়।” কিন্তু বিষয়টি এত তাড়াতাড়ি মানুষের চোখে পড়ায় অস্বস্তিতে পড়েছেন তলবিন্দর ও দিশা। চাপে পড়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে চান না তাঁরা। তবে তলবিন্দরের কথায়, “আমি রোজ প্রেমে পড়ি। বর্তমানেও আমি প্রেমেই রয়েছি।”