Advertisement
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩
Sreelekha Mitra

‘প্রাণ হাতে করে পৌঁছলাম!’ শ্রীলেখার জন্য দুশ্চিন্তায় প্রিয়জনেরা, কোথায় গেলেন তিনি?

কাজের ব্যস্ততা থেকে সময় বার করে দিন কয়েকের ছুটি কাটানোর পরিকল্পনা ছিল। সাক্ষী হলেন ভয়াবহ অভিজ্ঞতার।

Tollywood actress Sreelekha Mitra faces horrible experience in Uttarakhand

শ্রীলেখা মিত্র। ছবি: সংগৃহীত।

আনন্দবাজার অনলাইন সংবাদদাতা
কলকাতা শেষ আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৯:৩৮
Share: Save:

সমাজমাধ্যমে কয়েকটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন অভিনেত্রী। দেখে বোঝা যাচ্ছিল, তিনি শহরের বাইরে রয়েছেন। তবে পাশাপাশি শ্রীলেখা মিত্রের লেখা দেখে চিন্তায় অনুরাগীরা। এই মুহূর্তে কোথায় রয়েছেন শ্রীলেখা?

রবিবার রাতে ফেসবুকে পাহাড়ি রাস্তার কিছু ভিডিয়ো পোস্ট করেন শ্রীলেখা। সঙ্গে লেখেন, ‘‘অবশেষে পৌঁছলাম। মোটামুটি প্রাণ হাতে করে পৌঁছলাম।’’ এই লেখা দেখেই অভিনেত্রীর অনুরাগীরা দুশ্চিন্তা করতে শুরু করেন। আসলে ব্যক্তিগত কাজে সম্প্রতি দিল্লিতে গিয়েছিলেন শ্রীলেখা। কাজ সেরে হঠাৎই পরিকল্পনা করেন, উত্তরখণ্ডে যাওয়ার। সেই মতো রবিবার দুপুরে দিল্লি থেকে হৃষীকেশের উদ্দেশে যাত্রা করেন অভিনেত্রী। কিন্তু গন্তব্যস্থল ছিল হৃষীকেশ থেকে আরও ৭ কিলোমিটার পাহাড়ি খাড়াই রাস্তার শেষে। গন্তব্য নীড় ঘর জলপ্রপাত। শ্রীলেখা বললেন, ‘‘কয়েক দিন ভেবেছিলাম পাহাড়ে থাকব। কিন্তু এ রকম অভিজ্ঞতা হবে জানলে অন্য কোনও জায়গার কথা ভাবতাম।’’

রবিবার প্রায় রাত ৭.৩০টা নাগাদ হোটেলে পৌঁছন শ্রীলেখা। বলছিলেন, ‘‘পাহাড়ে রাত নামছে। এ দিকে আমি একা। তার উপর মাঝে কোথাও রাস্তা প্রায় নেই বললেই চলে। হোটেলকর্মীরাও আগে থেকে কিছু জানাননি।’’ রাস্তার শোচনীয় অবস্থা দেখে গাড়িচালককে রীতিমতো নির্দেশ দিতে থাকেন অভিনেত্রী। শ্রীলেখা বললেন, ‘‘মাঝে এক জায়গায় দেখলাম রাস্তা নেই। গাড়ি আর এগোবে না। গাড়ি যাতে গড়িয়ে না যায় সেই জন্য আমি নিজে গাড়ির চাকায় পাথর দিই। ভয়াবহ অভিজ্ঞতা!’’

আগামী কয়েক দিন আপাতত পাহাড়েই থাকবেন অভিনেত্রী। জানালেন, পায়ে হেঁটে এলাকাটা ঘোরার ইচ্ছে রয়েছে তাঁর। পাশাপাশি পাহাড়ি নদীতে অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসও করতে চান। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর দিল্লি ফিরবেন শ্রীলেখা।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE