দক্ষিণী তারকা যশের ‘টক্সিক: এ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপ্স’ ছবি নিয়ে আলোচনা সর্বত্র। শোনা যাচ্ছে, ছবিতে দেখা যাবে উগ্র পৌরুষ। তবে এই মুহূর্তে সবার নজর কেড়েছে ছবির প্রচার-ঝলকে এক আবেদনময়ীর সঙ্গে যশের উদ্দাম ঘনিষ্ঠতা। এই ছবি ভারতীয় সংস্কৃতিকে কুলষিত করছে বলে অভিযোগ কর্নাটকের মহিলা কমিশনের। বিড়ম্বনায় পড়ে কোন পদক্ষেপ করলেন অভিনেত্রী বেয়াট্রিজ়?
প্রথমে শোনা গিয়েছিল, যৌনদৃশ্যে যশের সঙ্গে দেখা গিয়েছে আমেরিকান অভিনেত্রী নাতালি বার্নকে। কিন্তু ছবির পরিচালক গীতু মোহনদাস জানিয়েছেন, ওই অভিনেত্রী নাতালি নন। অভিনেত্রীর নাম বেয়াট্রিজ় টফেনবাক। অভিনেত্রীর বিষয়ে বিশদে আর কিছু জানাননি পরিচালক। শুধু লিখেছেন, “এই সুন্দরী হল আমার সেমেট্রি গার্ল।” এমনিতেই ওটিটির পর্দায় যৌনতা আর রক্তপাত এখন জলভাত। একই পথে হাঁটছে বড়পর্দাও। গ্যংস্টারদের জীবন নিয়ে ছবি করলেই যেন হাতেনাতে মিলছে সাফল্য। এ দিকে ‘টক্সিক’ ছবির ঝলকে গোরস্থানে গোলাগুলির মাঝে উদ্দাম যৌনতা নিয়ে আপত্তি তুলল কর্নাটকের আম আদমি পার্টির (আপ) মহিলা শাখা। তাদের দাবি, সমস্ত সমাজমাধ্যম ও মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে এই ঝলক তুলে নেওয়া উচিত। এই আবেদন জানিয়ে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মহিলা কমিশনে অভিযোগ জমা পড়েছে।
ছবির কয়েক সেকেন্ডের ওই দৃশ্য যে গতিতে ভাইরাল হয়েছে, তাতেই একের পর এক মেসেজ পাচ্ছেন অভিনেত্রী। এতে নাকি একপ্রকার অতিষ্ঠ হয়েই নিজের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল মুছে ফেলেছেন তিনি। কর্নাটক ‘আপ’-এর সম্পাদক ঊষা মোহন বলেন, ‘‘এ সব দৃশ্য যেমন শিশুমনে প্রভাব ফেলে, তেমনই নারীদের সামাজিক অবস্থান ক্ষুণ্ণ করে। অপ্রাপ্তবয়স্কদের মনেও এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।” তাদের আশঙ্কা রাজ্যের সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ নষ্ট হতে পারে ‘টক্সিক’ ছবির কারণে। তাই এই ছবির টিজ়ার সব জায়গা থেকে সরিয়ে ফেলার আবেদন জানিয়েছে ওই সংগঠন।