২০০৪ সালে ‘গিল্লি’ ছবির মাধ্যমে তৃষা ও বিজয়ের রসায়ন দর্শকের মন জয় করে। এর পর তাঁরা ‘থিরুপাচি’, ‘আথি’ এবং ‘কুরুভি’-র মতো একাধিক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেন। বিজয় এবং তৃষার সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন বহু দিনের। ২০০৮ সালের পর একসঙ্গে কোনও ছবিতে অভিনয় করা বন্ধ করে দেন তাঁরা। কারণ, তাঁদের রসায়ন ছায়া ফেলেছিল বিজয়ের সংসারে। তৃষার সঙ্গে ছবি না করার শর্ত চাপিয়েছিল অভিনেতার পরিবার। তবে সেই সময় তাঁরা ঘোষণাও করেন, সবটাই রটনা। তাঁরা শুধুই বন্ধু। দীর্ঘ ১৪ বছরের বিরতির পর ২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘লিও’ ছবিতে তাঁদের আবার স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায়। এর পর নতুন করে বিতর্কের শুরু। বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেন থলপতির স্ত্রী। তৃষার এর আগে একবার বিয়ে ঠিক হয়। যদিও সেই বিয়ে ভেঙে যায়। তার পর থেকে বিয়ে নিয়ে নিজের সিদ্ধান্তে অনড় তিনি।
আরও পড়ুন:
তৃষার সঙ্গে ২০১৭ সাল নাগাদ চেন্নাইয়ের শিল্পপতি বরুণ মেইননের বাগ্দান হয়। বিয়ের সব ঠিকঠাক, এমন অবস্থায় বাগ্দানের পাঁচ মাসের মধ্যে সে সম্পর্ক ভেঙে যায়। তার পর একাধিক বার অভিনেতা রানা দগ্গুবতীর সঙ্গে দেখা গিয়েছে তৃষাকে। কিন্তু কখনও সম্পর্কের কথা আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বীকার করেননি। ২০১৮ সালে ‘কফি উইথ কর্ণ’ –তে এসে রানা আভাস দেন তিনি এক অভিনেত্রীর সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন। যদিও সেটা ভেঙে যায়। তার পর পরই বিয়ে করে নেন রানা। সেই সময় থেকেই নাকি থলপতির সঙ্গে যোগাযোগ বাড়তে থাকে। যদিও বছর দুয়েক আগে নিজে ৪০তম জন্মদিনে তৃষা জানান, তিনি বিয়ে করতে চান। তবে নিজের ইচ্ছেয়, সমাজের চাপে পড়ে নয়। দিন কয়েক আগে তামিলনাড়ুর এক রাজনৈতিক নেতাও দাবি করেন, বিজয়ের রাজনীতিতে মন কম। বরং তৃষার বাড়িতে বেশি সময় কাটান। তার ঠিক সপ্তাহখানেকের মাথায় থলপতির থেকে বিচ্ছেদ চেয়ে বসেন তাঁর স্ত্রী।