Advertisement
E-Paper

বিমানের ইঞ্জিনের শব্দ, যাত্রীদের কথা কানে ঢুকবে না, কী ভাবে উড়ানে আরাম করে ঘুমোবেন?

বিমানযাত্রা দীর্ঘ হলে তা বড় ক্লান্তিকর। কিছুটা সময় মেঘ দেখতে ভাল লাগলেও এক সময় তা ক্লান্তিকর হয়ে ওঠে।এমন সময় ঘুমিয়ে নেওয়াই ভাল। কিন্তু ঘুম আনতে কী করবেন?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ মার্চ ২০২৬ ১১:২৮

ছবি: সংগৃহীত।

বিমানে দেড়-দু’ ঘণ্টার যাত্রা ভালই লাগে। বিমানে উঠে প্রথমে শহর তার পরে আকাশ-মেঘ দেখতে দেখতেই পেরিয়ে যায় সময়। তার পরে টুকটাক খাওয়া-দাওয়া থাকে। মোবাইল কানে দিয়ে পছন্দের গান শুনতে শুনতেই সময় কেটে যায়।

তবে বিমানযাত্রা দীর্ঘ হলে তা বড় ক্লান্তিকর। কিছুটা সময় মেঘ দেখতে ভাল লাগলেও এক সময় তা ক্লান্তিকর হয়ে ওঠে। বিমানে হাঁটাচলারও তেমন সুযোগ থাকে না। ভাল হয় যদি খানিকটা ঘুমিয়ে নেওয়া যায়। তাতে শরীরের ক্লান্তিও কাটে। কিন্তু বললেই কি ঘুম আসে? সহযাত্রীরা নিজেদের মতো কথা বলেন। মাঝে মধ্যেই বিমানে নানা ঘোষণা চলে। তবে ঘুম আসবে সহজেই যদি সঙ্গে কয়েকটি জিনিস থাকে।

পোশাক: যে পোশাকটি পরে বিমানে উঠছেন সেটি আরামদায়ক ও ঢিলেঢালা হওয়া জরুরি। শুধু কেতাদুরস্ত পোশাক যথেষ্ট নয়, স্বাচ্ছন্দ্যও জরুরি। এমন পোশাক পরুন যেটা পরে আরাম বোধ হয়।

আই মাস্ক: আই মাস্ক হল নরম কাপড়ে তৈরি চক্ষু আবরক, যা দিয়ে চট করে চোখ ঢেকে নেওয়া যায়। বিমানযাত্রায় এই সাধারণ জিনিসটি অনেক কাজের হতে পারে।বিমানের ভিতরে কৃত্রিম আলো, সহযাত্রীদের রিডিং লাইট বা জানলা দিয়ে আসা আলো মস্তিষ্কের মেলাটোনিন হরমোন তৈরিতে বাধা দেয়। এই হরমোনটি ঘুম আনতে সাহায্য করে। আই মাস্ক চোখে থাকলে সামনের আলো চোখে আসে না। মস্তিষ্কে ঘুমের সংকেত পৌঁছোয়।

নয়েজ় ক্যানসেলিং হেডফোন: বিমানের ইঞ্জিনের একটা হালকা শব্দ হতে থাকে। তা দীর্ঘক্ষণ কানে গেলে মাথায় ব্যথা হতে পারে। নয়েজ় ক্যানসেলিং প্রযুক্তি এই শব্দকে কমিয়ে যাত্রা অনেক আরামদায়ক করে তোলে। তা ছাড়া বিমানযাত্রার সময় উচ্চতা পরিবর্তন কালে বাতাসের চাপের কারণে অনেকের কান বন্ধ হয়ে যায়। ভালো মানের হেডফোন ব্যবহার করলে কানের পর্দার উপর চাপের প্রভাব কিছুটা কমে। সহযাত্রীদের কথাও কানে আসে না। ফলে ঘুমিয়ে পড়া যায় সহজে।

ল্যাভেন্ডার অয়েল: সঙ্গে রাখতে পারেন এসেনশিয়াল অয়েল। যেমন ল্যাভেন্ডার অয়েল এসেনশিয়াল অয়েল হিসাবে ব্যবহার করা হয়। মন শান্ত করতে ল্যাভেন্ডারের গন্ধ সাহায্য করে।

ট্রাভেল পিলো: ঘাড় যথাস্থানে রাখতে সাহায্য করে ‘ট্রাভেল পিলো’। ঘুমোনোই হোক বা ঘাড় এলিয়ে আরাম করা, ট্রাভেলের জন্য তৈরি এই বালিশ খুব কাজের।

আরামদায়ক পোশাক, চোখে মাস্ক, কানে হেডফোন আর ঘাড়ের কাছে বালিশ থাকলে বিমানে ঘুমোনো যাবে সহজে। সঙ্গে পছন্দের এসেনশিয়াল অয়েল থাকলে মনও ফুরফুরে হতে পারে।

Travel Tips better sleep tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy