সদ্য মুম্বইয়ে ‘ভারত’-এর প্রিমিয়ার হল। সলমন খান, ক্যাটরিনা কইফ তো বটেই। উপস্থিত ছিলেন বলিউড ইন্ডাস্ট্রির বহু তারকা। ছবি দেখতে সিনেমা হলে ঢোকার আগে হাসিমুখে ক্যামেরায় পোজ দিচ্ছিলেন সকলে। কিন্তু তাঁদের মধ্যে হঠাত্ই ট্রোলড হলেন মৌনী রায়!

এই বাঙালি অভিনেত্রী হিন্দি টেলিভিশন জগতে পরিচিত মুখ। অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘গোল্ড’-এ অভিনয় করেছেন। এ হেন অভিনেত্রী হঠাত্ ট্রোলড হলেন কেন?

আসলে ট্রোলিংয়ের বিষয় ‘প্লাস্টিক সার্জারি’ করা মৌনীর মুখ। সোশ্যাল অডিয়েন্সের একটা বড় অংশের মতে, প্রতি মাসেই প্রায় মৌনীর মুখের চেহারা পাল্টে যায়। ঠোঁট, নাক, গাল-সহ মুখের বিভিন্ন অংশে নাকি প্লাস্টিক সার্জারি করিয়েছেন মৌনী! সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর শেয়ার করা ছবির নীচে অনেকে কমেন্ট করেছেন, ‘কসমেটিক সার্জারির পর আগের থেকেও ভয়ঙ্কর দেখতে লাগছে মৌনীকে।’

দেখুন, বিনোদনের নানা কুইজ

ট্রোলিংয়ের মুখে পড়লেও এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি মৌনী। বলিউডের বহু অভিনেত্রী কসমেটিক সার্জারির সাহায্য নিয়েছেন বলে শোনা যায়। অনুষ্কা শর্মা, আয়েশা টাকিয়া, কোয়েনা মিত্র, শিল্পা শেট্টি, রাখি সবন্ত— তালিকাটি লম্বা। কেউ প্রকাশ্যে স্বীকার করেন। কেউ বা লুকিয়ে রাখতে চান। মৌনী কোন পথ বেছে নেন, সেটাই এখন দেখার।

আরও পড়ুন, ছবি থেকে বাদ পড়েছেন ‘অপেশাদার’ মৌনী, জবাবে কী বললেন নায়িকা?

সোশ্যাল মিডিয়ায় এর আগেও বডি শেমিংয়ের শিকার হয়েছেন বহু নায়িকা। কখনও বা পোশাকের কারণে ট্রোলড হতে হয়েছে তাঁদের। দীপিকা পাড়ুকোন, সোনম কপূর, ফতিমা সানা শেখ— তালিকা লম্বা। সোনম বা ফতিমার মতো কোনও কোনও নায়িকা এর প্রতিবাদও করেছেন। যে কোনও বিষয় নিয়ে বিখ্যাত ব্যক্তিদের ট্রোল করা সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ড। যে কোনও পোশাক পরার স্বাধীনতা বা যে কোনও রকম ছবি শেয়ারের স্বাধীনতা তো প্রত্যেকেরই রয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে কোনও ব্যক্তি বিখ্যাত হলেই তাঁকে কেন ট্রোলড হতে হবে? এ প্রশ্ন বারবার উঠেছে নানা মহলে। প্রশ্ন উঠছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকলেও তা কি রুচিসম্মত এবং শালীনভাবে করা যায় না?   


এই ছবি পোস্ট হওয়ার পরই ট্রোলড হন মৌনী।