শীতের দিনে গরম পানীয় হিসাবে চা পছন্দ সকলেরই। সেই চা-ই হতে পারে আরও বেশি কিছু! বলছেন পেটের অসুখের চিকিৎসক সৌরভ শেট্টী। নেট প্রভাবী এই চিকিৎসক ক্যালিফোর্নিয়ায় থাকেন। শীতের দিনে পেট ভাল রাখার সহজ উপায় বলে দিলেন তিনি।
ঠান্ডায় জল খেতে ইচ্ছা হয় না কারও। তা ছাড়া, ঘামও হয় না বলে তেষ্টাও কম পায়। কিন্তু তা বলে জল বাদ দিলে হবে না। কারণ, তাতে শারীরবৃত্তীয় কাজে প্রভাব পড়তে পারে। জলের অভাবে পেটও ফুলে যেতে পারে। জল কম খেলে প্রয়োজন তরল খাবার। বদলে শীতের দিনে গরম পানীয়ে আস্থা রাখতে বলছেন তিনি। সৌরভের পরামর্শে সেই তালিকায় ঠাঁই পাওয়া দরকার—
আদা চা: শীতের দিনে গলা খুসখুস হোক বা গলা ব্যথা, আদা চায়ের বিকল্প নেই। আদা চা খেলে শুধু আরামই হয় না, পেটফাঁপা বা বমিভাবের সমস্যা থাকলেও এই পানীয় খুব উপকারী। আদা চা খাবার পরিপাকেও সহায়ক। আদা কার্যত ভেষজ হিসাবে ব্যবহার হয়। এতে থাকা জিঞ্জেরল এবং শোগোল প্রদাহনাশক উপাদান। আদা চা রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে পারে, এই পানীয় হার্টের জন্যও ভাল।
জবা চা: জবা ফুলে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা শরীরের পক্ষে ভাল। জবা চায়ে মেলে অ্যান্থোসায়ানিন যা রক্তনালীকে শিথিল করতে সাহায্য করে। এই পানীয় রক্তচাপ নিয়্ন্ত্রণেও সাহায্য করে। কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখে।তবে অন্তঃসত্ত্বাদের এই চা না খাওয়াই ভাল।
মাচা: মাচা চা খাওয়ার চল এখন জাপান, তাইওয়ান ছাড়িয়ে বিশ্বের বহু দেশেই শুরু হয়েছে। একে শুধু চা না বলে তার চেয়ে বেশি কিছু বলা যায়। সাধারণ চা, কফির তুলনায় মাচায় ক্যাফিনের মাত্রা কম থাকে। এই চা খেলে অম্বলের ঝুঁকিও কমে। গবেষণা বলছে, জাপানের এই চায়ে ক্যাটেসিন নামের এক ফ্ল্যাভনয়েড রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। এই ফ্ল্যাভনয়েড আদতে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট আবার প্রদাহনাশক উপাদান। ক্যাটেসিন লিভারের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করে। এটি হার্ট-বান্ধবও।