Advertisement
E-Paper

হাঁটাহাঁটি করলেই কমবে ফ্যাটি লিভার! কত ক্ষণ আর কোন ৫ নিয়ম মেনে হাঁটলে দ্রুত পেতে পারেন ফল

ফ্যাটি লিভারের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। চিকিৎসকেরা বলেন ফ্যাটি লিভারের সমস্যা কমাতে হাঁটাহাঁটি করা ভীষণ জরুরি। অনেকেই হাঁটেন, তবে নিয়ম মানেন না। ফ্যাটি লিভার হোক বা ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণ, সঠিক পদ্ধতি মেনে হাঁটলে তবেই মিলবে ফল।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১১ মার্চ ২০২৬ ১৩:৫৪
ব্রিস্ক ওয়াকিং-এর সঠিক নিয়ম কী?

ব্রিস্ক ওয়াকিং-এর সঠিক নিয়ম কী? ছবি: সংগৃহীত।

জীবনযাত্রায় নানা রকমের চাপ সামলে উঠতে গিয়ে খাওয়াদাওয়ার অভ্যাসের ক্ষতি হয় সবচেয়ে বেশি। মনখারাপ থাকলে, মানসিক চাপে বা টেনশনে থাকলে কিংবা হাতে সময় না থাকায় প্রাতরাশে, দুপুরে যথাযথ পুষ্টিকর খাবার না খেলে হাতের কাছে সহজে পাওয়া অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। যা থেকে বিপদ ঘনায়। বাইরের তেলমশলা, ভাজাভুজি, মিষ্টি, অতিরিক্তি সোডিয়াম যুক্ত নোনতা খাবারের কুপ্রভাব পড়ে লিভারে। ফল— ফ্যাটি লিভার। এই সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। চিকিৎসকেরা বলেন ফ্যাটি লিভারের সমস্যা কমাতে হাঁটাহাঁটি করা ভীষণ জরুরি। অনেকেই হাঁটেন, তবে নিয়ম মানেন না। ফ্যাটি লিভার হোক বা ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণ, সঠিক পদ্ধতি মেনে হাঁটলে তবেই মিলবে ফল।

কী ভাবে হাঁটলে তবেই মিলবে ফল?

চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবিটিস হোক বা ফ্যাটি লিভার, সঠিক পদ্ধতি মেনে ‘ব্রিস্ক ওয়াকিং’ করলে তবেই মিলবে ফল। ধীর গতিতে হাঁটলে হার্ট রেট বাড়ে না, ব্রিদিং স্ট্রেস (শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি বেড়ে যাওয়া) হয় না। ধীরে হাঁটলে শরীরে ফ্যাট বার্নিং উৎসেচকগুলিও সক্রিয় হয় না। যাঁদের ডায়াবিটিস আছে, কোলেস্টেরলের সমস্যা আছে কিংবা যাঁদের ওজন বেশি, তাঁদের ক্ষেত্রে সঠিক নিয়মে না হাঁটলে ফ্যাটি লিভার কখনওই কমবে না। নিয়ম মেনে না হাঁটলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমবে না, ফলে যে ইনসুলিন শরীরে তৈরি হবে সেটা শরীরে ঠিকঠাক কাজ করবে না। সুতরাং শরীরে জমা গ্লুকোজ় ফ্যাটি অ্যাসিড ও পরবর্তী সময়ে ট্রাইগ্লিসারাইডে পরিণত হবে। শরীরে ট্রাইগ্লিসারাইড জমতে শুরু করলেই ফ্যাটি লিভারের গ্রেড বাড়বে।

ব্রিস্ক ওয়াকিং-এর পদ্ধতি

১) এ ক্ষেত্রে প্রতি ঘণ্টায় ৫-৬ কিলোমিটার বেগে হাঁটতে হবে।

২) কাঁধ যেন একটি সরলরেখায় থাকে।

৩) শিরদাঁড়া সোজা থাকবে।

৪) হাঁটার গতির সঙ্গে ছন্দ মিলিয়ে হাত দু’টিও দোলাতে হবে।

৫) হাঁটার সময় হার্ট রেট বা হৃৎস্পন্দন ও পাল্‌স রেট বা নাড়িস্পন্দন বাড়ছে কি না, সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে।

ব্রিস্ক ওয়াকিংয়ের সময় কষ্ট করে একটা ছোট লাইন বলা যেতে পারে, তবে গান গাওয়া যাবে না। গান গাইতে গেলেই শ্বাস বিঘ্নিত হবে।

মনে রাখা দরকার, যে হাঁটা আর ব্রিস্ক ওয়াকিং কিন্তু একেবারে ভিন্ন। এটি এক প্রকার অ্যারোবিক অ্যাক্টিভিটি। এখানে জোরে নিঃশ্বাস নিতে নিতে হাঁটতে হয়, ফলে হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি পায়। প্রতি দিন ৩০ মিনিটের এই অভ্যাস হার্টকে শক্তিশালী করে, রক্তচাপ কমায়, ওজন কমাতে সাহায্য করে, মেজাজ ভাল করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সর্বোপরি ফ্যাটি লিভারের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

Fatty Liver Problem
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy