Advertisement
E-Paper

মাত্রাতিরিক্ত ট্রাইগ্লিসারাইড মানেই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি! নিয়ম করে ৫টি ফল খেলে হতে পারেন বিপন্মুক্ত

ফাইবারের গুণে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমতে পারে। ফাইবার ক্ষুদ্রান্ত্রে চর্বি এবং চিনির শোষণের গতিকে ধীর করে দেয়। ফলে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা রোধ করা সম্ভব হয়। তাই ফল খেলে ট্রাইগ্লিসারাইড হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ মে ২০২৬ ১৪:০১
কোন কোন ফল খেলে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমবে?

কোন কোন ফল খেলে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমবে? ছবি: সংগৃহীত।

অতিরিক্ত কোনও কিছুই স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল নয়— এই সূত্র ট্রাইগ্লিসারাইডের জন্যও কার্যকর। উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরলের মাত্রার মতো এটিও হার্টের রোগের কারণ হতে পারে। ট্রাইগ্লিসারাইড রক্তে ভেসে থাকা এমন এক ধরনের চর্বি বা লিপিড, যা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয়, কিন্তু মাত্রা বেড়ে গেলেই ঝুঁকি! এটি শরীরের প্রধান শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। খাবারের অতিরিক্ত ক্যালোরি (বিশেষ করে কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাটজাতীয় খাবার) থাকলে, সেটি লিভারে গিয়ে ট্রাইগ্লিসারাইড হিসেবে কোষগুলিতে জমা হয়। সেটিই ধীরে ধীরে শরীরে শক্তির জোগান দেয়। কিন্তু মাত্রা বেড়ে গেলে হৃদ্‌রোগ, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

কোন কোন ফল খেলে ট্রাইগ্লিসারাইড কমে?

কোন কোন ফল খেলে ট্রাইগ্লিসারাইড কমে? ছবি: সংগৃহীত

কিন্তু ফাইবারের গুণে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমতে পারে। ফাইবার ক্ষুদ্রান্ত্রে চর্বি এবং চিনির শোষণের গতিকে ধীর করে দেয়। ফলে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা রোধ করা সম্ভব হয়। তাই ফল খেলে ট্রাইগ্লিসারাইড হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলমূলে দ্রবণীয় ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এবং পুষ্টি উপাদান থাকে, যা ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে এবং ভাল কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে। তবে রাতারাতি নয়, নিয়ম করে রোজ ফল খেলে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার ঝুঁকি কমে।

কোন কোন ফল খেলে উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইডের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন?

১. আপেল: ফাইবারে ভরপুর এক ফল। বিশেষ করে খোসায় থাকা পেকটিনের গুণে শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট কমতে পারে। রোজ নিয়ম করে আপেল খেলে হজমের গতি শ্লথ হতে পারে, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে, শরীরে শক্তির জোগান দিতে পারে ধীরে‌ ধীরে। ফলে হার্টের স্বাস্থ্যরক্ষায় আপেলের জুড়ি মেলা ভার।

২. অ্যাভোকাডো: ফাইবার এবং মনো‌স্যাচুরেটে ফ্যাটের দুর্দান্ত মেলবন্ধন দেখতে পাওয়া যায় এই ফলে। কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি লিপিডের মাত্রার খেয়াল রাখার জন্য অ্যাভোকাডোর গুরুত্ব অপরিসীম। তাই নিয়মিত এই ফলটি খাওয়া দরকার।

৩. কমলালেবু: শীতের এই ফল সারা বছরই অল্প অল্প করে পাওয়া যায় বাজারে বা অনলাইনে। ভিটামিন সি এবং ফাইবারে ভরপুর কমলালেবু শরীরে চিনির শোষণের গতি কমিয়ে দিতে পারে। ফলে ট্রাইগ্লিসারাইড কমানোর জন্য কমলালেবু খাওয়া যেতে পারে।

৪. কিউয়ি: ভিটামিন ও ফাইবারে ভরপুর এই ফল রক্তের ফ্যাট নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এর ডায়েটারি ফাইবার চিনি ও চর্বি শোষণের গতি শ্লথ করতে পারে বলে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রাও কমতে পারে।

৫. বেদানা: বেদানা ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। উচ্চ পরিমাণে ফাইবার এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকার কারণে রক্তে চর্বি কমাতে সাহায্য করে।

Triglyceride Fruit Benefits
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy