Advertisement
E-Paper

মন ভাল রাখার জন্য ৫ মিনিট! একান্ত সময়টুকুতে ঠিক কী কী করতে হবে?

মন ভাল রাখার জন্য ৫ মিনিট! একান্ত নিজস্ব সময়টুকুতে ঠিক কী কী করতে হবে?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:৪৫
মানসিক স্বাস্থ্য ভাল রাখতে নিজের জন্য রাখুন অন্তত ৫ মিনিট।

মানসিক স্বাস্থ্য ভাল রাখতে নিজের জন্য রাখুন অন্তত ৫ মিনিট। ছবি: শাটারস্টক।

সকাল থেকে রাত যেন মুহূর্তে কেটে যায়। দম ফেলার ফুরসতই মেলে না। হাজারও কাজের ঝক্কি। দিনের পর দিন এই ভাবেই চলতে চলতে হাঁপিয়ে ওঠেন অনেকেই, নষ্ট হয় শান্তিও।

টানা কাজের পর শরীরের যেমন বিশ্রামের দরকার হয়, মনেরও বিরাম লাগে। মনোরোগ চিকিৎসক সরোজ দুবে জানাচ্ছেন, দৈনন্দিন জীবনযাপনের ছোট ছোট বদলই মনকে শান্ত এবং ভাল রাখতে সক্ষম। নিজের জন্য মাত্র ৫ মিনিট বার করা মোটেই কঠিন নয়। তবে এইটুকু সময়েই অনেকটা লাভবান হতে পারেন যে কোনও ব্যক্তি।

প্রথম শর্ত: ঘুম থেকে ওঠার পরে ফোন নয়, কাজ নিয়ে ভাবনা নয় বরং দরকার এক মিনিটের বিরতি। এই থমকে যাওয়া সময়ই অনেক কিছু করতে পারে। চিকিৎসকের কথায়, কর্মব্যস্ত দিন শুরুর আগে এটি হল প্রস্তুতি।

Advertisement

দ্বিতীয় শর্ত: পরের মিনিটে ধীরে অথচ গভীর ভাবে বার তিনেক শ্বাস নিন এবং ছাড়ুন। শ্বাসের ব্যায়াম মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। পরবর্তী কাজের জন্য প্রস্তুতিও ভাবা যেতে পারে এই ধাপকে।এই ভাবে শরীরকে চনমনে হয়ে ওঠার ইঙ্গিত দেওয়া যায়।

তৃতীয় শর্ত: অন্তত ৫ মিনিট মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকতে হবে। এর মধ্যে অবশ্য প্রথম দুই মিনিটকে জুড়তে পারেন, আবার বাড়তি ৫ মিনিটও যোগ করতে পারেন। এই সময়টায় একটু হেঁটে নিন বা ওয়ার্মআপ করতে পারেন। স্ট্রেচিং-ও করে নিতে পারেন। এতে ঘুম ভাঙার পরে শরীরের জড়তা কাটবে।

৫ মিনিটের এই শর্ত ছাড়াও নিজেকে ভাল রাখতে আরও কয়েকটি কাজ করা যেতে পারে। না বলা কথা-অভিমান উগড়ে দিন খাতার পাতায়। যদি মনে হয়, আপনার ভাবনাচিন্তাকে মর্যাদা দেওযার মতো মানুষ পাচ্ছেন না, এই পন্থা কাজে আসবে। মনও হালকা হবে। আবার তা রয়ে যাবে একান্ত গোপনে।

মনোরোগ চিকিৎসকের পরামর্শ, দিনভরের ব্যস্ততার ফাঁকে কখনও নিজেকে প্রশ্ন করা দরকার, মন কী চাইছে। নিজের ভাল লাগা, খারাপ লাগাকে মর্যাদা দেওয়া প্রয়োজন। দরকার মনকে বশে রাখাও। অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করতে হলে নিজেকে শান্ত হয়ে ভাবতে হবে।

অনেক সময়ে ছোট ছোট কৌশল বা অভ্যাস মনোজগতে অনেকটাই বদল আনে। একাধিক গবেষণায় উঠে এসেছে, সামান্যতম পরিবর্তনেও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হতে পারে।

Mental Health Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy