Advertisement
E-Paper

কোন অজানা কারণ হার্টের ক্ষতি করতে পারে, জানা কারণের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিকর কোনগুলি?

কম বয়েসিদের মধ্যেও বাড়ছে কার্ডিয়োভাস্কুলার সমস্যা। শরীরচর্চা করতে করতেও অনেকে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের শিকার হচ্ছেন। দৈনন্দিন যাপনের জানা-অজানা কোন অভ্যাসগুলি হার্টের পক্ষে ভীষণ ক্ষতিকর হয়ে উঠছে?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:৩৬
দৈনন্দিন অভ্যাসের সঙ্গে যুক্ত সাধারণ কারণই ক্ষতিকর হতে পারে হার্টের জন্য।

দৈনন্দিন অভ্যাসের সঙ্গে যুক্ত সাধারণ কারণই ক্ষতিকর হতে পারে হার্টের জন্য। ছবি: সংগৃহীত।

আগে মনে করা হত, হার্ট নিয়ে সাবধানতা দরকার বয়স হলে। তবে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হার্ট অ্যাটাক এবং হার্টের অসুখের প্রবণতা সেই ভুল ভেঙে দিয়েছে। বরং চিকিৎসকেরা চিন্তিত ঘুমের মধ্যে আচমকা হার্ট অ্যাটাক বা মৃত্যু নিয়ে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র সমীক্ষা অনুযায়ী, স্থূলত্ব, কোলেস্টেরল, থাইরয়েড সংক্রান্ত সমস্যা বাড়ছে বিশ্ব জুড়ে। আর সেই সব রোগের হাত ধরে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিও। রোজের যাপনের কিছু ভুলই ঠেলে দেয় হৃদ্‌রোগের দিকে।

লন্ডনের দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞ হৃদ্‌রোগের চিকিৎসক জেরেমি লন্ডন সমাজমাধ্যমে পরিচিত মুখ। নেটপ্রভাবী চিকিৎসক মাঝেমধ্যেই হার্ট ভাল রাখার পরামর্শ দেন। তাঁর অভিজ্ঞতায় হার্টের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর কোনগুলি? এর কিছু কারণ যেমন জানা, তেমন অজানা কারণও আছে।

মদ্যপান: নিয়মিত মদ্যপানের অভ্যাসকেই সবচেয়ে বিপজন্নক বলে চিহ্নিত করছেন জ়েরেমি। লাভ-ক্ষতির দাঁড়িপাল্লায় এটি সবচেয়ে ক্ষতিকর। ১০-এর মধ্যে ১০। চিকিৎসক বলছেন, অ্যালকোহল প্রতিটি কোষের ক্ষতি করে। এর কোনও নিরাপদ মাত্রা নেই। ধূমপানও রয়েছে হার্টের ক্ষতির তালিকায়।

একাকিত্ব: জীবনযাপনে ব্যস্ততা যত বাড়ছে, ততই কিন্তু একাকিত্ব দোসর হচ্ছে। শুধু যে বয়স্ক মানুষেরা একলা হয়ে যাচ্ছেন, তা নয়। তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও সম্পর্কের টানাপড়েন, একলা হয়ে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একলা মানুষের অবসাদ নিয়ে আলোচনা হলেও, তা স্বাস্থ্যের পক্ষে কতটা ক্ষতিকর তা নিয়ে সচেতনতা কম। জেরেমি বলছেন, ‘‘একাধিক গবেষণায় উঠে এসেছে, ধূমপান বা স্থূলত্ব হার্টের জন্য যেমন ক্ষতিকর, একাকিত্বের ফলে হওয়া উদ্বেগও তাই।’’ নিঃসঙ্গতার বোধ অবসাদের জন্ম দেয়, মানসিক চাপও তৈরি করে।

প্রক্রিয়াজাত মাংস: যত দিন যাচ্ছে, ততই প্যাকেটজাত মাংস এবং মাংসের নানা হিমায়িত রূপ বাজারে আসছে। এগুলিও হার্টের শত্রু। জ়েরেমির মতে, ক্ষতির অঙ্কে এর নম্বর ৫। কোলন ক্যানসার, টাইপ ২ ডায়াবিটিসের ঝুঁকি বাড়ে এই রকম খাবারে। ইদানীং তরুণ প্রজন্ম সুস্বাদু হিমায়িত মাংসের নানা রকম পদে মজেছে। এগুলি কেনা, রান্না করা খুব সুবিধাজনক। চটজলদি স্ন্যাক্স হিসাবে এমন খাবারের কদর বাড়ছে। এই ধরনের খাবার এড়িয়ে চলারই পরামর্শ চিকিৎসকের। বদলে টাটকা চর্বি ছাড়া মাংস (মুরগির মাংস) খেতে বলেন চিকিৎসকেরা।

প্লাস্টিকের ব্যবহার: প্লাস্টিকের সব্জি কাটার বোর্ড থেকে কৌটো— অত্যন্ত বিপজ্জনক। ক্ষতির মাপকাঠিতে এটিকেও ৫-এ রাখছেন চিকিৎসক। তিনি জানাচ্ছেন মাইক্রোপ্লাস্টিক খাবারে মিশলে তা শুধু হৃদ্‌যন্ত্রের ক্ষতি করে না, হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার নেপথ্য কারণও হতে পারে। প্লাস্টিক ব্যবহারে অজান্তেই খাবারে মেশে প্লাস্টিকের অতিসূক্ষ্ম কণা, যা হরমোন নিঃসরণকারী গ্রন্থির কার্যকারিতা নষ্ট করে, প্রভাব ফেলে প্রজননেও।

Heart health tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy