Advertisement
E-Paper

দীর্ঘায়ুর শর্টকাট! সারা দিনে আধ ঘণ্টা কোন কাজটি করলে ক্যানসার, হৃদরোগ, অকালমৃত্যুর ঝুঁকি কমবে?

সুস্থ এবং দীর্ঘ জীবন পেতে এই পথে চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়। কারণ, এই পন্থার কোনও খারাপ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। সারা দিনে আধ ঘণ্টা সময় বার করে করতে পারলে শুধুই লাভ।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:৩৩

ছবি : সংগৃহীত।

শর্টকাট অর্থাৎ সহজ পন্থায় সকলে বিশ্বাসী নন। তবে এ কথা অস্বীকার করার কোনও জায়গা নেই যে, হাতে সময় কম থাকলে (সময় এ যুগে কারই বা বেশি) ওই সহজ পন্থাই একমাত্র ত্রাণকর্তা হয়ে সামনে এসে দাঁড়ায়। সুস্থ শরীর এবং দীর্ঘায়ুর তেমনই এক সহজ রাস্তার সন্ধান দিয়েছেন এক চিকিৎসক। তাঁর মতে, এই শর্টকাট নিলে গ্লানির কোনও জায়গা নেই। সুস্থ এবং দীর্ঘ জীবন পেতে এই পথে চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়। কারণ, এই পন্থার কোনও খারাপ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। সারা দিনে আধ ঘণ্টা সময় বার করে করতে পারলে শুধুই লাভ।

সুস্থ এবং দীর্ঘ জীবনের ওই শর্টকাট আদতে কী? এমস প্রশিক্ষিত এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আমেরিকা নিবাসী ওই চিকিৎসক সৌরভ শেট্টী বলছেন, ‘‘হাঁটা। দিনে অন্তত আধ ঘণ্টা মন ফাঁকা রেখে হাঁটা। সুস্থ জীবন এবং দীর্ঘায়ুর জন্য আধুনিক বিজ্ঞান যত রকম উপায় বার করেছে, তার মধ্যে এটিই শ্রেষ্ঠ।’’

হার্ভার্ড টিএইট চ্যান স্কুল অফ পাবলিক হেল্থের গবেষণাও একই কথা বলছে। আমেরিকান জার্নাল অফ প্রিভেনটিভ মেডিসিনে প্রকাশিত গবেষণা পত্রের লেখকেরাও একমত। চিকিৎসক সৌরভ বলেছেন, ‘‘বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বয়সের মানুষকে নিয়ে সমীক্ষা করে দেখা হয়েছে। কোনও সমীক্ষা বছরের পর বছর ধরে ৮০ হাজার নানা বয়সের মানুষের উপর হয়েছে। কোনও সমীক্ষা হয়েছে মূলত মধ্যবয়সি পুরুষ এবং মহিলাদের উপর। উভয় ক্ষেত্রেই ফলাফল এসেছে এক।’’

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাঁরা প্রতি দিন অন্তত ৭০০০ পা হেঁটেছেন, তাঁদের অকালমৃত্যু হয়েছে কম। এ ছাড়া হার্টের রোগের ঝুঁকি কমেছে, কমেছে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা, এমনকি মস্তিষ্কের অসুখ বা স্ট্রোকও কম হতে দেখা গিয়েছে।

তাই সুস্থ জীবনের জন্য হাঁটার পরামর্শ দিয়ে সৌরভ বলছেন—

১। জোরে হাঁটতে পারলে জোরে হাঁটুন। কারণ তার উপকারিতা বেশি।

২। দিনে এক বারে আধ ঘণ্টা হাঁটতে না পারলে দু’ভাগে বা তিন ভাগে ভেঙে নিন হাঁটার সময়। সকালে ১৫ মিনিট হাঁটুন। বিকেলে বা রাতে আরও ১৫ মিনিট সময় দিন।

৩। পুরোটা জোরে হাঁটতে না পারলে তিন মিনিট জোরে হাঁটুন। তারপরে ৩ মিনিট সাধারণ গতিতে হাঁটুন। একে বলা হয় ইন্টারভাল ওয়াকিং। এটিও অত্যন্ত উপকারী।

৪। যাঁরা সারা দিন ডেস্কে বসে কাজ করেন, তাঁদের জন্য এই হাঁটা আরও বেশি জরুরি। এঁদের প্রত্যেকের হাড়, পেশি, হার্ট এবং ডায়াবিটিসের সমস্যার ঝুঁকি অনেক বেশি। হাঁটলে সেই ঝুঁকি ৩০-৫০ শতাংশ কমবে।

Longevity Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy