গুগ্লের সিইও তিনি। ডিজিটাল যুগকে নতুন পথ দেখানোর নেপথ্যে তাঁর অবদান কম নয়। সারা বিশ্বের নতুন প্রজন্ম তাঁর অনুরাগী। কিন্তু সেই সুন্দর পিচাই নিজে কী ভাবে সকাল শুরু করেন জানেন?
গোটা দুনিয়া যখন ব্যস্ত, দ্রুতগতির জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে, সেই সময়ে সুন্দর তাঁর সকাল শুরু করেন ঢিমে তালে। ‘ধীরে চলো’ নীতিতে, ডিজিটালের সংস্পর্শ থেকে দূরে থেকে দিনের সূচনা করেন সুন্দর।
গুগ্ল-কর্তা সুন্দর পিচাই। ছবি: সংগৃহীত
৪টি জিনিস ছাড়া সকাল শুরু হয় না তাঁর। সকাল ৭টা নাগাদ চোখ খুলেই প্রথমে খবরের কাগজ পড়েন তিনি। তার পর চা। এ বার খাওয়ার পাতে থাকে টোস্ট আর অমলেট। গুগ্ল-কর্তার যাপন যেন ছাপোষা মধ্যবিত্তের জীবনযাত্রা থেকে খুব আলাদা নয়। তিনি সাদামাঠা জীবনযাপনই পছন্দ করেন।
অমলেট খেয়ে দিন শুরু হয় সুন্দরের। ছবি: সংগৃহীত
সুন্দর অবশ্য নিরামিশাষী। মাছ-মাংস খান না ঠিকই, তবে তাঁর পাতে ডিম থাকে। কারণ, প্রোটিনের চাহিদার সঙ্গে আপস করেন না তিনি। তা ছাড়া সকালটা কেমন কাটছে, তার উপর অনেকটা নির্ভর করে গোটা দিনের ছন্দ। তাই ব্যস্ত জীবনে অভ্যস্ত ব্যক্তিরা প্রাতরাশ নিয়ে বেশ সচেতন। এই প্রেক্ষিতেই নিজের অভ্যাসের কথা জানিয়েছেন সুন্দর পিচাই। তিনি নিরামিষভোজী বলে প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করতে তাঁর প্রাতরাশে ডিম থাকা চাই-ই চাই।
সুন্দরের কথায়, ‘‘ভারতে বড় হয়েছি আমি। তাই সকালে চা না হলে চলে না (দুধ-চিনি দিয়েই চা খেতে পছন্দ করেন সুন্দর)। আর আমি নিরামিশাষী, তাই প্রোটিনের চাহিদা মেটাতেই হয়। সেই কারণেই টোস্ট আর অমলেট খাই সকালে।’’ খুব ভোরে তাঁর ঘুম ভাঙে না, তাই যাবতীয় শরীরচর্চা করেন সন্ধ্যাবেলা।
আরও পড়ুন:
এই তিনটি খাবারের মিলিত প্রভাবই সুন্দরের সকালকে সুন্দর করে তোলে। ডিম প্রোটিন সরবরাহ করে, দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে। টোস্ট কার্বোহাইড্রেট দেয়, যা শরীরকে দ্রুত শক্তি জোগায়। চা সতেজতা আনে, মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। এই সমন্বয় শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি দেয়, আবার পেট ভারও করে না। ফলে ব্যস্ত দিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই রুটিন।