Advertisement
E-Paper

ভরপেট খাওয়ার কিছু ক্ষণ পরেই আবার খিদে পেয়ে যায়, নেপথ্যে কোন কারণ? সারাবেন কী ভাবে

খাওয়ার পর পরই খিদে পেয়ে যাওয়ার ঘটনা সব সময়ে মানসিক নয়। অনেক ক্ষেত্রে এর সঙ্গে শরীরের গ্লুকোজ় এবং ইনসুলিনের ভারসাম্যের সম্পর্ক রয়েছে। সে ক্ষেত্রে কী ভাবে ঘন ঘন খিদে পাওয়ার সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে আনবেন?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬ ২০:১৫
ঘন ঘন খিদে পাওয়ার নেপথ্যে কোন কারণ লুকিয়ে?

ঘন ঘন খিদে পাওয়ার নেপথ্যে কোন কারণ লুকিয়ে? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

দুপুরে ভরপেট খাবার খেয়েছেন। তার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই আবার খিদে পেয়ে গেল। অনেকেই এই অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচিত। সে সময়ে দায়ী হয় খাওয়ার লোভ বা মুখ চালানোর অভ্যাস অথবা আত্মসংযম। কিন্তু নেপথ্যে থাকতে পারে শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। আর তা হল, রক্তে শর্করার ওঠানামা। সে ক্ষেত্রে এই সমস্যার সঙ্গে মোকাবিলা করবেন কী ভাবে?

খাওয়ার পর পরই খিদে পেয়ে যাওয়ার ঘটনা সব সময়ে মানসিক নয়। অনেক ক্ষেত্রে এর সঙ্গে শরীরের গ্লুকোজ় এবং ইনসুলিনের ভারসাম্যের সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে যাঁদের খাবারে পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেশি, তাঁদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যেতে পারে।

ঘন ঘন খিদে পায় কেন?

ঘন ঘন খিদে পায় কেন? ছবি: সংগৃহীত

খাওয়ার পরেও খিদে পায় কেন?

সাদা ভাত, ময়দার তৈরি খাবার, মিষ্টি বা চিনিযুক্ত খাবার খেলে সেগুলি দ্রুত গ্লুকোজ়ে পরিণত হয়। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। আর এর ফলে অগ্ন্যাশয় প্রচুর ইনসুলিন নিঃসরণ করে। কখনও কখনও এই ইনসুলিন এত বেশি কাজ করে যে, রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত কমে যায়। তখন শরীর আবার শক্তির খোঁজে খিদে পাওয়ার সঙ্কেত পাঠায়। যে খাবারে প্রোটিন, ফাইবার এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি কম থাকে, সেগুলি দীর্ঘ ক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখতে পারে না। ফলে আবার খিদে ফিরে আসে। কার্বোহাইড্রেট ভরা খাবার, ময়দায় বানানো পদ, মিষ্টি ইত্যাদি খেলে খুব দ্রুত আবার খিদে পেয়ে যায়। দায়ী সম্ভবত ইনসুলিন রেজ়িস্ট্যান্সই। এ সময়ে গ্লুকোজ় আর রক্তপ্রবাহ থেকে কোষে পৌঁছোতে পারে না। ফলে রক্তে গ্লুকোজ় থাকা সত্ত্বেও কোষগুলি ঠিক মতো ব্যবহার করতে পারে না। ফলে বার বার খিদে পায়।

খিদে নিয়ন্ত্রণে রাখার ৩টি সহজ উপায়

১. প্রোটিন, ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর চর্বি রাখুন

শুধু ভাত বা রুটি খেলে হবে না। প্রতি বার খাওয়ার থালায় চর্বিহীন প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং ফাইবারে ভর্তি খাবার রাখতে হবে। অর্থাৎ ডাল, ডিম, পনির, মাছ, শাকসব্জি, বাদাম বা বীজ জাতীয় খাবার রাখুন। এতে খাবার হজম হয় ধীরে এবং রক্তে শর্করার ওঠানামা কম হয়। ফলে দীর্ঘ ক্ষণ পেট ভরা থাকে।

২. খাবার খাওয়ার ক্রম বদলান

প্রথমে শাকসব্জি এবং প্রোটিনজাতীয় খাবার খেয়ে পরে ভাত বা রুটি খেলে ভাল হয়। এতে খাওয়ার পর রক্তে শর্করার হঠাৎ বৃদ্ধি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকে। খাবারের একেবারে শেষে কার্বোহাইড্রেটজাতীয় খাবার খেতে হবে।

৩. পর্যাপ্ত জলপান করুন

অনেক সময়ে শরীরে সামান্য জলের ঘাটতিকেও খিদে বলে ভুল করেন অনেকে। তাই খিদে পেলেই খাবারের দিকে না ছুটে আগে এক গ্লাস জল খেয়ে দেখতে পারেন।

Hunger Reducing Tips Hunger
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy