Advertisement
E-Paper

স্বাদের সঙ্গে কফির উপকারিতাও বদলে যায়! আপনার শরীরের জন্য কোনটি উপকারী জানেন?

কফি শুধু এনার্জি ড্রিঙ্ক জাতীয় পানীয় নয়, এটি বেশ স্বাস্থ্যকরও। অনেক শারীরিক সমস্যাতেই কফি দাওয়াই হিসাবে কাজ করে। তবে আপনার শরীরের জন্য কফি আদৌ কতটা উপকারী হবে, তা নির্ভর করবে কফির ধরনের উপর।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬ ১০:৫২
Health benefits of having different types of coffee

আপনার শরীরের জন্য কোন কফিটা উপকারী জানেন? ছবি: সংগৃহীত।

ঘুম থেকে উঠে এক কাপ কফি না খেলে অনেকের সকালটা ঠিক ভাবে শুরু হয় না! কর্মব্যস্ত জীবনে সারাদিনে কাজের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার সময় নেই। ফলে ক্লান্তি কাটতে চায় না। কাজের সময়ে ক্লান্তি কাটাতে তখন অনেকের কাছেই একমাত্র ভরসা কফি। কাপের পর কাপ কফি খেয়েই চলেছেন। ভাবছেন এতেই বেশ উপকার পাচ্ছেন। শুধু ক্লান্তি কাটানোই নয়, কফির আরও হাজারো গুণ আছে। মানসিক অবসাদ কাটাতে, এমনকি ওজন ঝরাতেও কফির জুড়ি মেলা ভার। কফি শুধু এনার্জি ড্রিঙ্ক জাতীয় পানীয় নয়, এটি বেশ স্বাস্থ্যকরও। অনেক শারীরিক সমস্যাতেই কফি দাওয়াই হিসাবে কাজ করে। তবে আপনার শরীরের জন্য কফি আদৌ কতটা উপকারী হবে, তা নির্ভর করবে কফির ধরনের উপর।

কিটো কফি: কালো কফির সঙ্গে মাখন, নারকেল তেল, ভ্যানিলা এক্সট্র্যাক্ট মিশিয়ে এই কফি বানানো হয়। কিটো ডায়েট চলাকালীন অনেকেই এই কফিতে চুমুক দেন। একে বুলেট কফিও বলেন কেউ কেউ। যাঁরা ‘লো কার্ব’ ডায়েটে রয়েছেন, তাঁদের ওজন ঝরানোর ক্ষেত্রে এই কফি তালিকায় রাখা যেতে পারে। তবে এতে ফ্যাটের মাত্রা অনেকটাই বেশি থাকে, তাই হার্টের অসুখ, কোলেস্টেরল কিংবা ফ্যাটি লিভারের সমস্যা থাকলে এই কফি খাওয়া চলবে না।

গ্রিন কফি: নিয়মিত এই কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে বেশ কিছু রোগ-বালাই বাগে আনা সম্ভব। না-সেঁকা কফির বীজ থেকে তৈরি হওয়া এই কফিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা সুস্বাস্থ্য পেতে সাহায্য করে। গ্রিন কফির বীজে রয়েছে ক্রোনোলজিক্যাল অ্যাসিড, যা শরীরের বিপাকীয় হার বাড়ায়, ফলে ওজন ঝরাতে এই কফি বেশ উপকারী। এতে অকালবার্ধক্য হওয়ার আশঙ্কাও কমে যায়। ত্বক ও চুলের নানা সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রোজ গ্রিন কফি খেতে পারেন।

দারচিনি কফি: দারচিনি দেওয়া কফি খুব ভাল ডিটক্স পানীয়ের কাজ করতে পারে। এটি নিয়মিত খেলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমবে। সারা দিনের খাবার থেকে যে পরিমাণ টক্সিন বা দূষিত পদার্থ শরীরে জমা হয়, তা ছেঁকে বার করে দিতে পারে দারচিনি। ফলে ঝরঝরে এবং চাঙ্গা হয় শরীর। রোজ সকালে দারচিনি মেশানো কফি খেলে হজমশক্তি বাড়বে। শারীরচর্চার পরেও খেতে পারেন দারচিনি দেওয়া কফি। তাতেও উপকার হবে। যাঁরা পিসিওএস-এর সমস্যায় ভুগছেন তাঁদের জন্যেও এই কফি বেশ উপকারী।

প্রোটিন কফি: এই কফি বানানোর সময়ে তাতে মেশানো হয় প্রোটিন পাউডার। যাঁরা শারীরচর্চা করেন তাঁদের কাছে এই কফি বেশ জনপ্রিয়। এই পানীয় শরীরে চটজলদি শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। খিদে নিয়ন্ত্রণেও বেশ উপকারী এই পানীয়। এই কফি পেশির মেরামতে সাহায্য করে। বিপাকহার বৃদ্ধি করতেও এই কফি কাজে আসে। কিডনির সমস্যা থাকলে এই ধরনের কফি খাওয়া যাবে না।

হলুদ কফি: এই কফিতে হলুদের সঙ্গে গোলমরিচও মেশানো হয়। এই কফির অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণের জন্য শরীরের প্রদাহজনিত সমস্যা থাকলে এটি খাওয়া যেতে পারে। গাঁটের ব্যথা, বাতের ব্যথায় ভুগলেও এই কফি খেলে উপকার পাওয়া যাবে। সর্দি-কাশিরও দাওয়াই হতে পারে এই কফি। তবে হজমজনিত সমস্যা থাকলে এই ধরনের কফি এড়িয়ে চলাই ভাল।

Coffee Benefits
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy