সুস্থ থাকার জন্য, ওজন ধরে রাখার জন্য তেল, ফ্যাট জাতীয় খাবার কম খাওয়া উচিত। কারণ এতে শরীরে যেমন মেদ জমে, তেমনই হার্টের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ারও ঝুঁকি বাড়ে। এই ধারণাগুলো থেকেই ধীরে ধীরে ভিলেনে পরিণত হয়েছে তেল বা ফ্যাট। তেল বা ফ্যাটকে রোজের ডায়েট থেকে সম্পূর্ণ ব্রাত্য করলে মুশকিল। শারীরবৃত্তীয় কাজের সঠিক সাম্য বজায় রাখার জন্য শরীরের কিন্তু ফ্যাটও চাই। অনেকের মনেই ফ্যাটকে ঘিরে অকারণ ভীতি তৈরী হয়ে যায়। ভাল ফ্যাটও আছে। যেমন, মোনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড বা ‘মুফা’ ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড বা ‘পুফা’। চর্বিহীন খাবার খেতে গিয়ে তাদের বাদ দিলে বিপদ। হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে, মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে এবং শরীরে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজের শোষণে ভাল ফ্যাটের গুরুত্ব অনেক। তাই দিনের শুরুটা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট দিয়েই করা ভাল। জেনে নিন কী কী বিকল্প রাখতে পারেন তালিকায়।
ঘি: খালি পেটে খাওয়ার জন্য ঘি স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের ভাল বিকল্প।। ঘিতে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট বিউটাইরিক অ্যাসিড উৎপাদনে সাহায্য করে, যা প্রদাহ কমায় এবং অন্ত্রের সুরক্ষা প্রাচীরকেও শক্তিশালী করে।
বাদাম: বাদামে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৩ এবং ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এগুলো ধমনীর প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। হার্টের সমস্যা থাকলে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখুন আখরোট, কাঠবাদাম, পেস্তা অথবা চিয়া বীজ। শরীরে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখতেও এগুলির বিশেষ ভূমিকা আছে।
ভার্জিন নারকেল তেল: খালি পেটে এক চা চামচ ভার্জিন নারকেল তেল খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদেরা। কারণ এটি মিডিয়াম-চেইন ট্রাইগ্লিসারাইডে সমৃদ্ধ যা অন্ত্রের মেরামত এবং হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এটি থাইরয়েডের কার্যকারিতা বজায় রাখতেও ভূমিকা রাখে।
অরগ্যানিক আনসল্টেড মাখন: খালি পেটে খাওয়ার জন্য এই মাখন আরেকটি ভাল বিকল্প। স্বাস্থ্যকর ফ্যাটে ভরপুর হওয়ায় এটি রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করার পাশাপাশি হরমোনের ভারসাম্যও বজায় রাখে।