বাঙালির মিষ্টিপ্রেম চিরকালীন। খুশির মুহূর্ত হোক কিংবা মনখারাপ, মিষ্টি সমস্ত পরিস্থিতিরই সঙ্গী হতে পারে। আর উৎসব-পার্বণে তো কথাই নেই। শত বারণেও এক-আধটা মিষ্টি খেতে মন চায়। শুধু সুগার বা ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে পিছিয়ে আসেন। তবে সে মিষ্টি যদি হয় চিনি ছাড়া ও প্রোটিনে ভরপুর, তা হলে আর ভয় নেই। মিষ্টিমুখও হবে, আবার ওজনও বাড়বে না। এমন কিছু স্বাস্থ্যকর মিষ্টি তৈরির পদ্ধতি জেনে নিন।
পনির ও ওট্সের সন্দেশ
সন্দেশ মানেই ছানা ও বেশি করে চিনি পাক দিয়ে বানাতে হবে তা নয়। প্রোটিনে সমৃদ্ধ সন্দেশও বানিয়ে নেওয়া যায় স্বাস্থ্যকর উপায়ে। এর জন্য লাগবে ১০০ গ্রামের মতো পনির, রোস্টেড ওট্স পাউডার ২ চামচ, গুড় এক চামচ। প্রথমে পনির ভাল করে মেখে নরম করে নিন। একটি নন-স্টিক প্যানে পনির, ওট্স পাউডার দিয়ে ভাল করে নাড়ুন। এতে গুড় মেশাতে পারেন। মিশ্রণটি ঝরঝরে হলে সামান্য এলাচগুঁড়ো মিশিয়ে নামিয়ে নিন। এ বার ছোট ছোট সন্দেশের আকারে গড়ে উপরে কাঠবাদামের কুচি দিয়ে দিন। ১টি বড় সন্দেশ থেকে প্রায় ১১০-১২০ ক্যালোরি এবং ৫-৬ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যাবে।
আরও পড়ুন:
বেসন নারকেলের বরফি
প্যানে এক চামচ ঘি গরম করে তাতে এক কাপের মতো বেসন মেশান। বেসন সোনালি হওয়া অবধি ভাজুন। এ বার তাতে আধ কাপের মতো নারকেল কোরা, গুড় ও দুধ মেশান। মিশ্রণটি ভাল ভাবে নাড়তে থাকুন। ঘন হয়ে আসা অবধি কম আঁচে নাড়তে হবে। এ বার একটি ঘি মাখানো থালায় মিশ্রণটি ঢেলে দিয়ে সমানভাবে ছড়িয়ে দিন। উপরে কাজু ও পেস্তা ছড়িয়ে দিন। তার পর ঠান্ডা হলে বরফির মতো আকারে কেটে নিন।
আপেলের হালুয়া
আপেল প্রথমে কুরিয়ে নিতে হবে। তার পর কড়াইতে সাদা তেলের সঙ্গে একটু ঘি দিয়ে কুরিয়ে নেওয়া আপেল ভাল করে নাড়াচাড়া করে নিন। আপেল নরম হয়ে এলে দিন দুধ। মিশিয়ে দিন সামান্য দারচিনিগুঁড়ো। মিষ্টির জন্য দিতে পারেন খেজুর বাটা। সমস্ত উপকরণ ভাল করে নাড়াচাড়া করে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে আপেলের হালুয়া।