শীতের দিনে বাইরে যতই ঠান্ডা থাকুক না কেন, মোটা মোটা সোয়েটার, অতিরিক্ত খাওয়া, জল কম খাওয়ার কারণে পেটফাঁপা, গ্যাসের সমস্যা হতেই থাকে। এই মরসুমে অনুষ্ঠান ও পার্টির জন্য অতিরিক্ত ক্যালোরিযুক্ত খাওয়া হয়ে যায়।
আরও পড়ুন:
ওজন বশে রাখা, গ্যাস-অম্বল কমানো কোনওটাই কঠিন হবে না যদি বিশেষ মজানো পানীয়ে চুমুক দেওয়া হয়। জিনিসটি আর কিছুই নয়, গাজরের কাঞ্জি। উত্তরপ্রদেশ, পঞ্জাবে মজিয়ে নেওয়া এই ধরনের পানীয় খাওয়ার চল থাকে বছরভর। এটি যদি একবার বানিয়ে নিতে পারেন, ২-৩ দিন খাওয়া যাবে। নিয়মিত এক গ্লাস খেলে পেটে উপকারী ব্যাক্টেরিয়ার সংখ্যা যেমন বাড়বে, তেমনই ওজন কমানোও সহজ হবে। কমবে পেটফাঁপার মতো অস্বস্তি।
কী ভাবে বানাবেন?
নেট-প্রভাবী রন্ধনশিল্পী শ্রুতি মহাজন শেখালেন বিটের কাঞ্জি তৈরির পদ্ধতি। এ জন্য লাগবে আধ কেজি কালো গাজর। ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে লম্বা লম্বি কেটে নিতে হবে। ৩ টেবিল চামচ কালো সর্ষে গুঁড়িয়ে রাখতে হবে। এবার একটি কাচের পরিষ্কার পাত্রে গাজর, সর্ষের গুঁড়ো, স্বাদমতো সৈন্ধব লবণ এবং লঙ্কার গুঁড়ো যোগ করতে হবে। তার পর অনেকটা জল দিয়ে কাচের পাত্রের মুখ এঁটে রোদে বসিয়ে রাখতে হবে ২-৩ দিন। তা হলেই মজে গিয়ে তৈরি হবে গাজরের কাঞ্জি। শ্রুতি জানাচ্ছেন, শীতের মরসুমে যে হেতু সর্দি-কাশির প্রবণতা দেখা দেয়, তাই তাঁদের বাড়িতে প্রতি বছর শীতে এই পানীয় খাওয়ার চল রয়েছে। পেটের স্বাস্থ্য ভাল রাখার পাশাপাশি পানীয়টি রোগ প্রতিরোধকও বটে। খুব সহজে বানানো পানীয়টি দেখতে হবে লাল রঙের। অতিথি আপ্যায়ণে এটি দিতে পারেন। কারণ মজে যাওয়া কাঞ্জি বেশ সুস্বাদু।