Advertisement
E-Paper

ফুটন্ত জলে ৫টি উপকরণ, রাতে ঘুমোনোর আগে বিশেষ পানীয় পান করেন নেহা, কী কী উপকার এতে

প্রতি দিন রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিশেষ এক পানীয়ে চুমুক দেন অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়া। পুষ্টিবিদ রিচা গঙ্গানির পরামর্শ মেনে কী ভাবে এই পানীয় বানান তিনি, কী ভাবেই বা উপকার করে তাঁকে?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:৪০
নেহা ধুপিয়ার বিশেষ পানীয়।

নেহা ধুপিয়ার বিশেষ পানীয়। ছবি: সংগৃহীত।

২১ দিনের চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়া। এই কয়েকটি দিনের মধ্যে শরীরের প্রদাহ কমিয়ে ফেলার প্রতিশ্রুতি নিয়েছিলেন তিনি। প্রদাহরোধী এই চ্যালেঞ্জের লক্ষ্য ওজন কমানো ছিল না, বরং শরীরের ভিতরের প্রদাহ কমিয়ে সুস্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনাই এর উদ্দেশ্য ছিল। পুষ্টিবিদ রিচা গঙ্গানির পরামর্শ মেনে খাওয়াদাওয়া করেছিলেন ৪৫ বছরের বলি তারকা। সে যুদ্ধে জয়ী হন অভিনেত্রী। কিন্তু এখনও স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য ঘরোয়া কিছু টোটকা মেনে চলছেন নেহা। সেটিও পুষ্টিবিদের পরামর্শ মেনেই।

প্রতি দিন রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিশেষ এক পানীয়ে চুমুক দেন নেহা। এর ফলে পেটফাঁপার সমস্যা কমে যায়। রাতে ঘুম ভাল হয়। সকালে উঠেও শরীর অনেকটা হালকা লাগে। এক বাটি জলে মৌরি, জোয়ান, জিরে, আদা ফুটিয়ে নিতে হবে। তার পর সেই জল ছেঁকে পান করে নিতে হবে। প্রয়োজনে এই জলের মধ্যে পাতিলেবুর রসও মিশিয়ে দেওয়া যায়। ঘুমোনোর আগে এই জল পান করার পরামর্শ নেহার।

রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিশেষ এক পানীয়ে চুমুক দেন নেহা।

রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিশেষ এক পানীয়ে চুমুক দেন নেহা। ছবি: সংগৃহীত।

রাতে ঘুমোনোর আগে পেটফাঁপার সমস্যা কমানোর জন্য এই উপকরণগুলি কী ভাবে সাহায্য করে?

মৌরি: পাচনতন্ত্রের অস্বস্তি অর্থাৎ পেটফাঁপা, বমি ভাব, বদহজম, গ্যাস জমার সমস্যা কমানোর জন্য সুখ্যাতি রয়েছে মৌরির। খাওয়াদাওয়ার পর মৌরি চিবোনোর অভ্যাস কেবল মুখগহ্বর শুদ্ধ করা নয়। মৌরির অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল এবং প্রদাহনাশী বৈশিষ্ট্যের জন্য খাবার খাওয়ার পরে মৌরি চিবোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

জোয়ান: গ্যাস ও পেটফাঁপার সমস্যায় জোয়ান খুবই কার্যকরী কারণ এতে থাকা থাইমল নামক উপাদান পেটের অ্যাসিড নিঃসরণ বাড়িয়ে হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করে। জোয়ানের ফাইবার ও এনজ়াইম গ্যাস দূর করতে সাহায্য করে। শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বার করে বিপাকক্রিয়া বাড়াতে পারে জোয়ান। খাদ্যনালী, পাকস্থলী এবং অন্ত্রের ঘা সারিয়ে দেওয়ারও ক্ষমতা রয়েছে এর।

জিরে: অন্ত্রের এনজ়াইম বা হজমে সাহায্যকারী উৎসেচকগুলিকে সক্রিয় করতে পারে জিরে। ফলে হজমের সমস্যা কমে যেতে পারে সহজে। জিরেতে এমন কিছু অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে, যা প্রদাহনাশী এবং অ্যান্টি-ডায়াবিটিক। তাই পেটফাঁপার রোগ থাকলে জিরে খেলে আরাম মিলতে পারে।

আদা: আদার বায়োঅ্যাক্টিভ যৌগ জিঞ্জেরল হজমশক্তি বাড়ায়, পাকস্থলী থেকে খাবার দ্রুত বেরোতে সাহায্য করে, অন্ত্রের পেশি শিথিল করে গ্যাস জমার প্রবণতা কমায় এবং প্রদাহ কমিয়ে পেটফাঁপার সমস্যা দূর করে। তা ছাড়া হজমে সাহায্যকারী উৎসেচকের ক্ষরণ বাড়ায় এবং খাদ্যনালীর পেশির জ্বালা প্রশমন করে। ফলে বদহজম, গ্যাস ও পেটের অস্বস্তি কমে।

লেবু: অন্ত্রের পাচকরস নিঃসরণ বাড়িয়ে হজমপ্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে। এর ফলে পেটে গ্যাস তৈরি বা জমা হওয়ার প্রবণতা হ্রাস পায়। লেবুর রসের ভিটামিন সি শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বার করে দিতে পারে। তবে রাতে লেবুর রস খেলে পেটে অস্বস্তি হলে তা বাদও দেওয়া যায়।

Neha Dhupia healthy drink Healthy Lifestyle Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy