ঠান্ডা লেগে নয়, অনেক সময় শিশুদের অজানা কারণে কাশি শুরু হয়, আর সেই কাশি কিছুতেই কমতে চায় না। অ্যালার্জিজনিত কারণে এই কাশি হতে পারে। সারা রাত ধরে সেই কাশির কারণে সন্তানের সঙ্গে বাবা-মায়েদেরও ঘুমের বারোটা বাজে। ভাইরাস বা ব্যাক্টেরিয়া জনিত কারণে যে কাশি হয়, তা সাধারণত ৮-১০ দিন স্থায়ী হয়। তবে এই ক্ষেত্রে চিকিৎসার পরে এই কাশি কমলেও বারে বারে ফিরে আসে। এই ধরনের কাশির ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে শিশুদের ওষুধপত্র খাওয়ানোর পরেও অভিভাবকদের কিছু বাড়তি সতর্কতা নিতে হবে। কী কী করলে কাশি বারে বারে ফিরে আসবে না, রইল হদিস।
১) ঘরের মেঝে পরিষ্কার রাখতে হবে। ঘরের মেঝের ধূলোয় এক ধরনের ক্ষুদ্র পোকা থাকে, যারা মূলত শরীর থেকে ঝরে পড়া মৃত কোষগুলি থেকেই খাদ্য সংগ্রহ করে বেঁচে থাকে। এই পোকা থেকেই কিন্তু শিশুদের কাশি হতে পারে। এই পোকাগুলি পরিষ্কার করার জন্য ঝাড়ুর ব্যবহার করলে চলবে না। দু’বেলা ভাল করে ঘর মুছে পরিষ্কার করতে হবে।
আরও পড়ুন:
২) বিছানার চাদর আর বালিশের কভার নিয়মিত বদলাতে হবে। সাধারণত সপ্তাহে এক বার এগুলি বদলানোর কথা বলা হলেও শিশুর কাশি শুরু হলে দু’দিন অন্তর বিছানার চাদর আর বালিশের কভার বদলে ফেলুন। সেই চাদর আর কভার গরম জলে বেশ কিছু ক্ষণ ডুবিয়ে তার পরেই কাচুন। শেষে চড়া রোদে মেলতে ভুলবেন না যেন।
৩) ঘরের মেঝেতে কার্পেট কিংবা জানলায় ভারী পর্দার ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। এ সব স্থানও পোকার আঁতুড়ঘর হতে পারে। আর একান্তই ব্যবহার করতে হলে এগুলিকেও নিয়মিত ধুয়ে পরিষ্কার রাখুন।
৪) শিশুরা যে সব সফ্ট টয়গুলি নিয়ে খেলে সেগুলিকেও পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে এক বার করে সেগুলিও গরম জলে ধুয়ে ফেলুন।
৫) শীতের শেষে ইতিমধ্যেই পাখা চলতে শুরু করেছে, অনেক বাড়িতে এসিও চালানো হচ্ছে। শিশুর কাশি শুরু হলে কিন্তু ফ্যানের ব্লেড আর এসির ফিল্টার বারে বারে পরিষ্কার রাখতে হবে।