Advertisement
E-Paper

বেশ কিছু দিন ধরেই রাতে ঘুম আসতে চাইছে না? ইনসমনিয়ায় আক্রান্ত কি না, বুঝবেন কী করে?

যদি কেউ রাতের পর রাত জেগে থাকেন কিংবা দিনের বেলা কুম্ভকর্ণের মতো ঘুমোন, কোনওটাই কিন্তু ভাল নয়। তবে সব ঘুমের সমস্যাই ইনসমনিয়া নয়। আদৌ এই রোগে আক্রান্ত কি না বুঝবেন কী করে?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৫৯
দিনের বেলাতেও ধরা দেয় ইনসমনিয়ার উপসর্গ।

দিনের বেলাতেও ধরা দেয় ইনসমনিয়ার উপসর্গ। ছবি: শাটারস্টক।

সারা দিন ঠায় ল্যাপটপ আর মোবাইলের দিকে চেয়ে থাকা। বাড়ি ফিরে মধ্যরাত পর্যন্ত ডিজিটাল দুনিয়ায় বুঁদ। গভীর রাতেও দু’চোখের পাতা এক করতে না পারলে ফের মোবাইল খুলে ঘাঁটাঘাঁটি। ভোরের দিকে ঘণ্টা দুয়েক চোখ বন্ধ করার চেষ্টা করতে করতেই আবার অফিসের জন্য উঠে পড়া। গোটা তরুণ প্রজন্মই এই অভ্যাস রপ্ত করে ফেলেছে। যার ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হচ্ছে ঘুমের। শরীরের নিজস্ব ঘড়ি অগ্রাহ্য করে যদি কেউ রাতের পর রাত জেগে থাকেন কিংবা দিনের বেলা কুম্ভকর্ণের মতো ঘুমোন, কোনওটাই কিন্তু ভাল নয়। তবে সব ঘুমের সমস্যাই ইনসমনিয়া নয়। আদৌ এই রোগে আক্রান্ত কি না বুঝবেন কী করে?

ইনসমনিয়া দু’ধরনের হতে পারে, শর্ট টার্ম বা স্বল্পমেয়াদি আর ক্রনিক বা দীর্ঘস্থায়ী। শর্ট টার্ম ইনসমনিয়ার সমস্যা মূলত ৩ মাসের মধ্যে কমে যায়। কারও যদি তিন মাস ধরে সপ্তাহে তিন দিনও ঠিকঠাক ঘুম না হয়, তাহলে বুঝতে হবে ক্রনিক ইনসমনিয়া হয়েছে।

রাতের বেলা বার বার ঘুম ভেঙে যাওয়া, ঘুম আসতে সময় লাগা, সকালে উঠতে না পারা— ইনসমনিয়ার প্রধান উপসর্গ। এ ছাড়া দিনের বেলাতেও ইনসমনিয়ার বেশ কিছু উপসর্গ দেখা যায়। সারা ক্ষণ ঘুম ঘুম ভাব, ক্লান্তি, মনোযোগের অভাব, ঘন ঘন মেজাজ বিগড়ে যাওয়া, ছোট ছোট ঘটনা মনে রাখতে না পারাও কিন্তু ইনসমনিয়ার লক্ষণ হতে পারে।

বাড়াবাড়ি হওয়ার আগে রুখবেন কী করে?

১) টিভি, ল্যাপটপ কিংবা ফোন ব্যবহারের সময় কমান। বৈদ্যুতিন পর্দায় চোখ রাখলেই মস্তিষ্ক সজাগ ও সক্রিয় হয়ে ওঠে। শুতে যাওয়ার ঘণ্টাখানেক আগে নিজেকে এই ধরনের পর্দার সামনে থেকে সরিয়ে নিন।

২) ধ্যান ও শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম ঘুমে সহায়তা করে। প্রতি দিন নিয়ম করে এই ধরনের অনুশীলন করলে মানসিক চাপ ও অনিদ্রা— দুই সমস্যা থেকেই মুক্তি মিলবে।

৩) কী খাচ্ছেন তার সঙ্গেও ঘুমের যোগ রয়েছে। ক্যাফিন-সমৃদ্ধ খাবার খেলে বেশ কয়েক ঘণ্টা ঘুম আসে না। কফি ও চকোলেটে এই উপাদানটি থাকে। তাই ঘুমোতে যাওয়ার অন্তত ৬ ঘণ্টা আগেই থামাতে হবে এই ধরনের খাবার। পাশাপাশি, রাতের খাবার হালকা রাখাই ভাল। অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার হজমের সমস্যা বাধায়। ফলে, ঘুম আসতে দেরি হয়।

৪) ঘুমোতে যাওয়ার সময় যেন আশপাশের পরিবেশ থাকে শান্ত। ঘরে মৃদু আলো ঘুমের উপযোগী। ঘুমোনোর আগে ঘরে সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারেন। বিছানা পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুন।

৫) ঘুমোতে যাওয়ার সময় অনেকেরই মাথায় হরেক দুশ্চিন্তা আসে। এই দুশ্চিন্তাই অনিদ্রার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই সমস্যাগুলি মন থেকে বার করে দেওয়ার চেষ্টা করুন।

Insomnia
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy