Advertisement
E-Paper

অঙ্গের ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে না তো? আগে থেকে কী ভাবে বুঝবেন? সঙ্কেতগুলি চিনে নিন

শুরুতে ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে বড় রোগের সঙ্কেত দেয় শরীর। আগে সতর্ক করার চেষ্টা করে। কিন্তু তার পরও অনেকেই উপেক্ষা করে চিকিৎসায় দেরি করে ফেলেন। কী ভাবে বুঝবেন, আপনার কোনও অঙ্গে চাপ পড়ছে কি না?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৩২
অঙ্গের ক্ষতি এড়াতে কী ভাবে সতর্ক হবেন?

অঙ্গের ক্ষতি এড়াতে কী ভাবে সতর্ক হবেন? ছবি: সংগৃহীত।

বড় অসুখের আগে সব সময়ে সঙ্কেত মেলে না। ছোট ছোট পরিবর্তন দিয়েই শরীর আগে সতর্ক করে দেয়। আর সেগুলিকেই সবচেয়ে বেশি উপেক্ষা করে ফেলেন অনেকে। চিকিৎসকদের মতে, সাধারণত ব্যথা না হওয়া পর্যন্ত বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না, কিন্তু ব্যথা হওয়া মানেই হল, শরীরের ভিতরে ক্ষতি হয়ে গিয়েছে অনেকখানি। অনেক সময়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও শুরুতে কোনও বড় লক্ষণ দেখা যায় না। তাই আগে থেকে সতর্ক হওয়া দরকার।

কী কী ভাবে বুঝবেন, অঙ্গের উপর চাপ পড়ছে?

১. প্রথমেই আসে অকারণ ক্লান্তি। ঘুম পর্যাপ্ত হলেও যদি সারা দিন শক্তি না থাকে, তা হলে সতর্ক হওয়া দরকার। শুধু কাজের চাপ নয়, শরীরের ভিতরে কোনও অঙ্গ ঠিক মতো কাজ না করলে এমন ক্লান্তি তৈরি হতে পারে।

Advertisement

২. এর পর নজরে রাখা দরকার ত্বক, চুল আর নখের পরিবর্তন। হঠাৎ ত্বক নিস্তেজ হয়ে যাওয়া, চুল ঝরে পড়ার সমস্যা বেড়ে যাওয়া বা নখ ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া—এগুলি অনেক সময়ে শরীরের ভিতরের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। পুষ্টির অভাব হলে শরীরে এমন উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

৩. খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে আগ্রহ কমে যাওয়া বা হজম ক্ষমতা কমে যাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ সঙ্কেত। হঠাৎ খিদে কমে যাওয়া, বার বার পেট ফেঁপে যাওয়া, পেটে ও বুকে অস্বস্তি, এ সব অনেকেই এড়িয়ে চলেন। কিন্তু হজমতন্ত্র, লিভার বা অন্য অঙ্গের উপর চাপের ইঙ্গিত হতে পারে এই লক্ষণগুলিই।

৪. একই ভাবে প্রস্রাবের ধরন বা রঙে পরিবর্তন হলেও উপেক্ষা করা উচিত নয়। পা ফুলে গেলেও সতর্ক হতে হবে। তা ছাড়া চোখের তলা যদি ফুলে যায় হঠাৎ, তখনও বুঝতে হবে, স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছে। শরীরের বর্জ্য বেরোনোর এই প্রক্রিয়ায় বদল এলে তা কিডনি বা অন্যান্য অঙ্গের সমস্যার সঙ্কেতবার্তা হতে পারে।

৫. সারা ক্ষণ মাথাব্যথায় ভুগছেন, ওষুধ খেয়ে ব্যথা কমাচ্ছেন, অথচ চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছেন না। অথবা চিন্তাভাবনা গুলিয়ে যাচ্ছে বা কিছু ভাবতে গিয়ে ক্লান্ত লাগছে, এমন সময়ে কাজের চাপ ভেবে এড়িয়ে যান অনেকে। কিন্তু শরীরে জলশূন্যতা, উচ্চ রক্তচাপ বা মস্তিষ্কজনিত কোনও সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে এগুলি।

৬. পায়ে অসাড়তা, বসা থেকে উঠলে মাথা ঘুরে যাওয়া ইত্যাদিও স্নায়ু এবং মেরুদণ্ডের সমস্যার কারণে হতে পারে।

এই লক্ষণগুলি কখনওসখনও সাধারণ বলে মনে হয়। তাই ক্লান্তি, বয়সবৃদ্ধি বা ব্যস্ত জীবনের ঘাড়ে দোষ দিয়ে এড়িয়ে যান অনেকেই। কিন্তু চিকিৎসকেরা বলছেন, এই ছোট ছোট পরিবর্তনই ভবিষ্যতের বড় সমস্যার সূত্রপাত হতে পারে। তাই সুস্থ থাকার মূল মন্ত্র হওয়া উচিত, আগে থেকেই উপসর্গগুলিকে গুরুত্ব দেওয়া। নিয়মিত ঘুম, সুষম আহার, জলপান, শরীরচর্চা আর মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ— এই অভ্যাসগুলিই অঙ্গগুলিকে দীর্ঘ দিন সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

organs Health Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy