বহু স্বাস্থ্যসচেতন মানুষই এখন আর পাউরুটি খান না। কারণ, পাউরুটি মানেই তাতে তো ‘ময়দার পাহাড়’! এমনকি, বাজারচলতি তথাকথিত হোল গ্রেন, মাল্টি গ্রেন, ব্রাউন ব্রেড কিনেও লাভ নেই কোনও। কারণ সেই সব প্যাকেটের অধিকাংশেরই লেবেলে স্পষ্ট করে লেখা থাকে, দানাশস্য বা আটার পরিমাণ বড় জোর ৩০ শতাংশ। বাকিটা সেই ময়দা!
পুষ্টিবিদদের মতে, সকালের জলখাবারের জন্য ব্রেড টোস্ট বানানো সুবিধাজনক হতে পারে, কিন্তু এর পুষ্টিগুণ খুবই কম এবং এটি বেশি ক্ষণ পেট ভর্তি রাখতে যথেষ্ট নয়। কিছু ক্ষণ বাদেই আবার অনলাইনে কিছু অর্ডার করার জন্য মন ছটফট করতে শুরু করবে। শরীরে কার্বোহাইড্রেটেরও দরকার আছে। তাই বলে দিনটা শুধু কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার দিয়ে শুরু না করাই ভাল । কার্বোহাইড্রেট ডোপামিন, কর্টিসলের মতো ‘ফিল গুড’ হরমোন ক্ষরণেও প্রভাব ফেলে। ফলে সারা দিন মেজাজ বিগড়ে থাকার আশঙ্কা থাকে। অভিনেত্রী তমন্না ভাটিয়ার পুষ্টিবিদ সিদ্ধার্থ সিংহ জানিয়েছেন, কী ভাবে জলখাবারে পাউরুটি রেখেও স্বাস্থ্যকর প্রাতরাশ স্বাস্থ্যকর করা সম্ভব।
সিদ্ধার্থের মতে, দু'টি সহজ ধাপে সাধারণ টোস্টকেও একটি সুষম আহারের রূপ দেওয়া যায়। এই আহারে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট, ফ্যাট, প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেট, সবেরই সঠিক ভারসাম্য বজায় থাকবে।
১) চিজ় যোগ করে: সিদ্ধার্থের মতে, ওজন কমানোর স্বাস্থ্যকর ডায়েটেও চিজ যোগ করা যায়। তিনি দু’টি পাউরুটির সঙ্গে দু'টি স্লাইস চিজ যোগ করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘‘এ ভাবে শুকনো টোস্টে ৮ গ্রাম প্রোটিন এবং কিছু স্বাস্থ্যকর ফ্যাট যোগ করা সম্ভব।’’
২) টম্যাটোর মতো সব্জি যোগ করে: একই সঙ্গে পাউরুটির ভিতরে যদি টম্যাটো এবং আরও কিছু সব্জি যোগ করে দেওয়া যায়, তা হলে খাবারে ফাইবারের ঘাটতি হবে না।
সিদ্ধার্থ বলেন, "প্রাতরাশ যদি আরও একটু ভারী করতে চান তা হলে সঙ্গে ১০০ থেকে ১৫০ গ্রাম গ্রিক ইয়োগার্টও খেতে পারেন।"