Advertisement
E-Paper

নীরবেই বড় রোগে আক্রান্ত হতে পারে লিভার! স্পষ্ট লক্ষণ ছাড়াই জানান দিতে পারে, কী ভাবে বুঝবেন

লিভার আসলে ‘সাইলেন্ট অর্গান’। অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়া পর্যন্ত সে ভাবে জানান দেয় না। অনেক ক্ষেত্রে ফ্যাটি লিভার, হেপাটাইটিসের মতো রোগে প্রাথমিক স্তরেও কোনও লক্ষণ দেখা যায় না। তাই ছোট ছোট লক্ষণগুলিকেই গুরুত্ব দেওয়া সবচেয়ে জরুরি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:৪৮
আপনার লিভারের স্বাস্থ্য কেমন আছে, কী ভাবে বুঝবেন?

আপনার লিভারের স্বাস্থ্য কেমন আছে, কী ভাবে বুঝবেন? ছবি: সংগৃহীত।

অনেকেই মনে করেন, মদ না খেলেই লিভার ভাল থাকবে। কিন্তু বিষয়টা এত সরল নয়। এমন বহু মানুষ লিভারের সমস্যায় ভুগছেন, যাঁরা জীবনে কোনও দিন মদ ছুঁয়ে দেখেননি। ব্যস্ত জীবনযাপন, অনিয়মিত খাওয়াদাওয়া, স্থূলত্ব, ডায়াবিটিস, এমনই নানা ধরনের বিষয় লিভারের উপর চাপ তৈরি করে। আর লিভার সাধারণত শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কোনও বড় লক্ষণ প্রকাশ করে না।

চিকিৎসকদের মতে, লিভার আসলে ‘সাইলেন্ট অর্গান’। অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়া পর্যন্ত সে ভাবে জানান দেয় না। অনেক ক্ষেত্রে ফ্যাটি লিভার, হেপাটাইটিসের মতো রোগে প্রাথমিক স্তরেও কোনও লক্ষণ দেখা যায় না। তাই ছোট ছোট লক্ষণগুলিকেই গুরুত্ব দেওয়া সবচেয়ে জরুরি।

ছোট ছোট লক্ষণগুলিকেই গুরুত্ব দেওয়া সবচেয়ে জরুরি।

ছোট ছোট লক্ষণগুলিকেই গুরুত্ব দেওয়া সবচেয়ে জরুরি। ছবি: সংগৃহীত

১. সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে অকারণে ক্লান্তি। ঘুম ঠিক মতো হলেও সারা ক্ষণ অবসন্ন লাগা, কাজ করার শক্তি না থাকা, এগুলি অনেক সময়ে লিভারের সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

Advertisement

২. পেটে হঠাৎ মেদ জমা হওয়া, পেটের উপরের অংশে ডান দিকে হালকা ব্যথা বা ভারী লাগা, এই ধরনের অস্বস্তিকে অনেকেই গ্যাস বা সাধারণ সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যান। অথচ এগুলি লিভারে চর্বি জমার লক্ষণ হতে পারে।

৩. ত্বকেও কিছু সূক্ষ্ম পরিবর্তন দেখা যায়। যেমন গলা বা বাহুমূলের কাছে ত্বক কালচে হয়ে যাওয়া, এগুলি শরীরের বিপাকীয় সমস্যার সঙ্গে যুক্ত, যা লিভারের স্বাস্থ্যের উপরেও প্রভাব ফেলে।

কিন্তু এই লক্ষণগুলি খুবই সাধারণ এবং আলাদা করে চোখে পড়ে না। অনেকেই তাই এই উপসর্গগুলিকে ক্লান্তি, কাজের চাপ বা বার্ধক্যজনিত সমস্যা বলে ধরে নেন। তাতেই চিকিৎসায় দেরি হয়। যদি এর সঙ্গে ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলত্ব বা কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকে, তা হলে ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। এই ধরনের রোগ অনেক সময়ে নিঃশব্দে বাড়তে থাকে। তাই যাঁদের ঝুঁকি বেশি বা এই ধরনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, তাঁদের নিয়মিত রক্তপরীক্ষা বা আল্ট্রাসাউন্ড করানো প্রয়োজন।

liver health Health Tips
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy