Advertisement
E-Paper

শিশুর মুখের চারপাশে ঘা হচ্ছে? অতিরিক্ত আম খাওয়ার ফলেই কি এমন বিপত্তি?

এখন আমের মরসুম। অনেক অভিভাবকই ভাবেন, বেশি করে আম খাওয়ার ফলেই মুখভর্তি ঘা হয়েছে খুদের। এই ধারণাটি কি আদৌ ঠিক?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬ ১৬:৪২
আম থেকেই কি ঘা হচ্ছে শিশুর মুখে?

আম থেকেই কি ঘা হচ্ছে শিশুর মুখে? ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।

গরমের সময় অত্যধিক ঘাম হওয়ার কারণে সারা শরীরে সংক্রমণ হতে পারে। মুখও বাদ যায় না। অনেক শিশুর মুখের চারপাশে ঘায়ের মতো হয়ে যায়, বিশেষ করে গরমের দিনগুলিতে এই সমস্যা বেশি চোখে পড়ে। এখন আমের মরসুম। অনেক অভিভাবকই ভাবেন, বেশি করে আম খাওয়ার ফলেই মুখভর্তি ঘা হয়েছে খুদের। এই ধারণাটি কি আদৌ ঠিক?

চিকিৎসক অর্পণ সাহার মতে, আম খেলে মোটেই ঘা হয় না। তাই পরিমিত মাত্রায় আম শিশুকে খাওয়ানো যেতেই পারে। গরমের সময় শিশুদের মধ্যে এক ধরনের সংক্রমণ প্রায়ই লক্ষ করা যায়। অর্পণ বলেন, ‘‘গরমে অনেক সময়েই শিশুরা ইমপেটিগো নামক সংক্রমণে ভোগে। এই ক্ষেত্রে ঘা থেকে কষ বেরোয়, ঘায়ের রং হয় সোনালি এবং বাদামির মাঝামাঝি। ইমপেটিগো আদতে ব্যাক্টেরিয়া-ঘটিত সংক্রমণ।’’

এই সংক্রমণটি স্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস বা স্ট্রেপ্টোকক্কাস পায়োজেনেস নামক ব্যাক্টেরিয়ার কারণে হয়। এরা ত্বকের ছোটখাটো কাটাছেঁড়া, পোকামাকড়ের কামড়ের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। এগজ়িমা বা স্কেবিস রোগে আক্রান্ত হলে, ক্ষতস্থানেও এই ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এই রোগটি খুবই ছোঁয়াচে। আক্রান্তকে স্পর্শ করলে বা তাঁর ব্যবহৃত গামছা, কাপড়, বিছানার চাদরের মাধ্যমে অন্যের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এই রোগের উপসর্গ কেবল মুখের চারপাশেই বেশি দেখা গেলেও, সারা শরীরেই সংক্রমণ হতে পারে। শিশুরা বেশি আক্রান্ত হলেও বড়দের ঝুঁকি একেবারেই নেই, এ কথা বলা যায় না।

রোগমুক্তি কী ভাবে সম্ভব?

এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরমর্শ নিয়ে অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল মলম লাগানো যেতে পারে। চিকিৎসক অনেক ক্ষেত্রে অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল ওষুধও খেতে বলেন।

Bacterial Diseases Infections
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy