Advertisement
E-Paper

গরমে জলশূন্যতা এড়ানোর জন্য অতিরিক্ত জলপান? বিপদের কথা মনে করালেন প্রিয়ঙ্কার মা মধু

প্রিয়ঙ্কা চোপড়ার মা, চিকিৎসক মধু চোপড়া জলপানের তিন অভ্যাসের কথা জানালেন সমাজমাধ্যমে। তার মধ্যে জলের প্রয়োজনীয়তা এবং ক্ষতিকর দিক, দুটোই তুলে ধরেছেন তিনি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ জুন ২০২৬ ২০:৪২
জলপানের নিয়ম শেখালেন প্রিয়ঙ্কার মা মধু চোপড়া।

জলপানের নিয়ম শেখালেন প্রিয়ঙ্কার মা মধু চোপড়া। ছবি: সংগৃহীত।

কখনও চড়া রোদ, কখনও বা ধেয়ে আসছে ঝড়বৃষ্টি। এই সদাপরিবর্তনশীল আবহাওয়ার জেরে নানা রকমের রোগ বাসা বাঁধে শরীরে। এই সময় যদি শরীরে জলশূন্যতা দেখা দেয়, তা বিপজ্জনক হতে পারে। প্রিয়ঙ্কা চোপড়ার মা, চিকিৎসক মধু চোপড়া তাই তিন অভ্যাসের কথা জানাচ্ছেন সমাজমাধ্যমে। তাঁর বিশ্বাস, ছোট ছোট পরিবর্তনেই লক্ষ্যে পৌঁছোনো সম্ভব, তার জন্য কঠোর যাপনের প্রয়োজন নেই। কী কী ভাবে শরীরে জলের পরিমাণ বাড়ানো যায়? রোগের ঝুঁকি কমানো যায়?

১. রোদ থেকে ফিরেই হিমশীতল খাবার খাওয়া বা পানীয়ে চুমুক দেওয়া বন্ধ করতে হবে। প্রবল উচ্চ তাপমাত্রা থেকে হঠাৎ এত ঠান্ডা সহ্য করতে পারে না শরীর। অভ্যস্ত হওয়ার জন্য তাই সময় দেওয়া উচিত। নয়তো নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

২. শরবত হোক বা শিকঞ্জি, ছাস হোক বা লস্যি, যে ভাবে ইচ্ছা, সে ভাবেই জলে তরলের মাত্রা বৃদ্ধি করতে হবে। তবে অতিরিক্ত জল খেলেও আবার সমস্যা হতে পারে। তাই পরিমিতিবোধ থাকা দরকার সব ক্ষেত্রেই।

৩. স্থানীয় সব্জি ও ফল খেতে হবে এই সময়ে। রসালো শাকসব্জি ও ফলমূল খেলে শরীরে জলের পরিমাণ বেড়ে যাবে। প্রিয়ঙ্কার মায়ের পরামর্শ, ফুটি, তরমুজ, শসা, লাউ, ঝিঙে ইত্যাদি খাবার বেশি করে খেতে হবে এই গরমে। তবে টাটকা বা রান্না করা, ভাপানো অথবা অল্প তেলে ভাজা খাবার খেতে হবে। অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত বা ভারী খাবার এড়িয়ে চলাই ভাল। প্রচুর মশলাদার খাবার এবং পেঁয়াজের পরিমাণ কমিয়ে দেওয়াই ভাল বলে মনে করেন মধু। কারণ, এগুলি দেহের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

প্রিয়ঙ্কার মায়ের এই পরামর্শ অনুযায়ী, সুস্থ থাকতে দিনে ৮-১০ গ্লাস জল খাওয়া উচিত। প্রতি দিন সকালে এক গ্লাস জল দিয়ে দিন শুরু করলে শরীরের জলের ঘাটতি মেটে এবং হজমশক্তি বাড়ে। তাই জলশূন্যতার বিষয়টি বেশ গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। বাইরে বেরোলে জলের বোতল নিতে ভুলবেন না। জলের স্বাদ বাড়াতে তার মধ্যে লেবু, শসা বা পুদিনা পাতা মিশিয়ে নেওয়া যায়। তবে কফি, এনার্জি ড্রিঙ্ক বা সোডার মতো অতিরিক্ত ক্যাফিন ও চিনিযুক্ত পানীয় কিন্তু উল্টে শরীরের জলশূন্যতার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। শরীর অলস ও ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই এগুলির বদলে ডাবের জল, ভেষজ চা বা লেবুর জল খাওয়ার অভ্যাস করা প্রয়োজন। ফল, পুদিনাপাতা বা শসা মেশানো জল যেমন সুস্বাদু, তেমনই পুষ্টিকর। অন্য দিকে, ঘোল এবং ফলের রস শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে। আর তরমুজ, শসা, স্ট্রবেরির মতো জল টলটলে ফল খেলে শরীর ভাল থাকে। পাশাপাশি এগুলিতে থাকা ভিটামিন ও খনিজ শরীরকে পুষ্টি জোগায়।

তবে জলের পরিমাণ নিয়েও সতর্ক থাকা দরকার। অল্প সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত জল খেলে ‘হাইপোনাট্রেমিয়া’ হতে পারে। কিডনি অতিরিক্ত জল খুব দ্রুত শরীর থেকে বার করতে পারে না। আর এর ফলে রক্তের সোডিয়ামের ঘনত্ব কমে যায়। মস্তিষ্কের কোষের মতো শরীরের আরও নানা কোষে জল জমতে শুরু করে। তাই দিনে ৩ লিটার জল পান করাই নিরাপদ।

Hydration Tips Priyanka Chopra Madhu Chopra

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy