Advertisement
E-Paper

টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ কমছে? কী ভাবে শরীরের নানা লক্ষণে বুঝবেন পুরুষেরা? ঝুঁকি স্বাস্থ্যেরও!

কেবল যৌনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে নয়, টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ কমে গেলে অনেক সময়ে পুরুষদের শরীর নানা ভাবে ইঙ্গিত দেওয়ার চেষ্টা করে। আর সেই সমস্যাকে শনাক্ত করা দরকার।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ মার্চ ২০২৬ ১৭:১২
টেস্টোস্টেরন কমে গেলে বাড়ে নানা ঝুঁকি!

টেস্টোস্টেরন কমে গেলে বাড়ে নানা ঝুঁকি! ছবি: সংগৃহীত।

শরীরে ক্লান্তি, মনোযোগের অভাব বা হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া, রোজের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার অংশ বলে ধরে নেন অনেকে। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এই সাধারণ লক্ষণগুলির আড়ালেই লুকিয়ে থাকতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোনজনিত সমস্যা। টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ কমে গেলে অনেক ক্ষেত্রে পুরুষদের শরীর নানা ভাবে ইঙ্গিত দেওয়ার চেষ্টা করে। আর সেই সমস্যাকে শনাক্ত করা দরকার।

টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ কমছে কি?

টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ কমছে কি? ছবি: সংগৃহীত

সঠিক সময়ে টেস্টোস্টেরন হ্রাস শনাক্ত না হলে শরীরে নানা সমস্যা হতে পারে। এই সমস্যা কেবল যৌনস্বাস্থ্যের সঙ্গে যুক্ত নয়। পেশির শক্তি, হাড়ের গঠন, মনমেজাজ, স্মৃতিশক্তি এমনকি শরীরে চর্বি জমার ধরনেও বড় ভূমিকা পালন করে। তাই এই হরমোন কমে গেলে তার প্রভাব শরীরের নানা দিকেই দেখা যায়। সাধারণত ৪০ বছরের পর থেকে এই হরমোন ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। প্রতি বছর গড়ে ১ শতাংশ করে কমতে থাকে। তবে ব্যক্তিবিশেষে হ্রাসের পরিমাণ হেরফের করে। কিন্তু সমস্যা হল, এর লক্ষণগুলি খুব স্পষ্ট নয়। অনেক সময়েই তা বয়স, মানসিক ও শারীরিক চাপ বা ক্লান্তির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন কেউ কেউ।

কোন কোন লক্ষণ প্রথমে দেখা যায়?

· সব সময় ক্লান্তি, বিশ্রাম নিলেও শক্তি না ফেরা

· যৌন আগ্রহ কমে যাওয়া

· মনোযোগে ঘাটতি, কাজের প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়া

· খিটখিটে মেজাজ বা অবসাদ

· পেটের চারপাশে মেদ জমা

· ব্যায়াম করলেও পেশির শক্তি কমে যাওয়া

শরীরে এর প্রভাব কতটা গভীর?

টেস্টোস্টেরন কমে গেলে শুধু বাহ্যিক পরিবর্তনই নয়, শরীরের ভিতরেও বড় প্রভাব পড়ে—

· পেশির ভর ও শক্তি কমে যায়

· চর্বি জমার প্রবণতা বাড়ে

· বিপাকক্রিয়ার গতি ধীর হয়ে যেতে পারে

· হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে

· টাইপ-২ ডায়াবিটিস ও হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিও বাড়তে পারে

চিকিৎসকদের মতে, দৈনন্দিন অভ্যাসই অনেক সময়ে এই হরমোনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ধূমপান বা অতিরিক্ত মদ্যপান, স্থূলত্ব, এ সবই টেস্টোস্টেরন কমে যাওয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। অনেকেই বাজারে পাওয়া সাপ্লিমেন্টের উপর ভরসা করেন। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের পণ্যের কার্যকারিতার যথেষ্ট প্রমাণ নেই। অনেক ক্ষেত্রেই তেমন উপকার পাওয়া যায় না, বরং নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন থাকে। তাই নিজের ইচ্ছেমতো খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

Testosteron Hormone Imbalance
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy