Advertisement
E-Paper

৪৫-এর পরে কমতে থাকে হাড়ের ঘনত্ব, হজমক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শরীর মজবুত রাখতে পাতে রাখুন ৩ খাবার

রজোনিবৃত্তির কয়েক বছর আগে থেকেই শরীরে হরমোনের মাত্রার হেরফের হতে শুরু করে। কমতে থাকে ইস্ট্রোজেন। তার ফলেই হাড় দুর্বল হতে শুরু করে, বিপাক হার কমতে থাকায় হজমের সমস্যা হয়। শরীর ভাল রাখতে এই সময় পাতে রাখুন তিন খাবার।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:৪২
Stay Strong After 45, 3 foods to Combat Bone density Loss and Revive Metabolism

ছবি: সংগৃহীত।

৪৫ পার হলেই মহিলাদের শরীরে বদল আসে। কমতে থাকে হাড়ের ঘনত্ব। কারও হজমেও সমস্যা হয়। মেজাজও খিটখিটে হয়ে যায়। আসলে এই সময়টা পেরিমেনোপজ়ের। রজোনিবৃত্তির আগে শরীরে হরমোনের মাত্রার হেরফের হয়। কমতে থাকে ইস্ট্রোজেন। তার ফলেই হাড় দুর্বল হতে শুরু করে, বিপাক হার কমতে থাকায় হজমের সমস্যা হয়। হরমোনের হেরফেরের প্রভাব পড়ে মেজাজেও। পুষ্টিবিদেরা বলেন, এই সময় তাই পুষ্টির বিষয়টি আরও বেশি জরুরি হয়ে পড়ে। তিন খাবার এই সময় তালিকায় রাখলে শরীরে জোর মিলবে, ভাল থাকবে পেটের স্বাস্থ্য।

খেজুর এবং ঘি: খেজুর ভিটামিন, খনিজে ভরপুর। যথেষ্ট মাত্রায় ক্যালোরিও মেলে এতে, ফলটি ফাইবার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং শর্করায় পরিপূর্ণ। পেটের স্বাস্থ্যের পাশাপাশি সার্বিক ভাবে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে খেজুর। প্রাকৃতিক শর্করা, খনিজ শরীর ভাল রাখতে সাহায্য করে। ঘিয়ে মেলে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত জরুরি। স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে শোষণে সাহায্য করে। খেজুরে ফাইটোইস্ট্রেজেন মেলে, যা ইস্ট্রোজেনের মতোই কাজ করে।

জিরে এবং মৌরির জল: পেট ঠান্ডা রাখতে মৌরি ভিজানো জল খাওয়ার প্রথা বহু পুরনো। পুষ্টিবিদেরাই মানছেন এর উপকারিতা। শরীরে বিপাকজাত ক্রিয়ার ফলে যে দূষিত পদার্থ তৈরি হয়, তা বার করে দিতে সাহায্য করে মৌরির জল। মৌরিতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল উপাদান, যা পেটের সমস্যা কমাতে সহায়তা করে। এমনকি, পেটে কোনও সংক্রমণ দেখা দিলেও তা থেকে বাঁচাতে পারে মৌরি। জিরেও হজমে সহায়ক। পেটে গ্যাস হলে জিরেগুঁড়ো জলে মিশিয়ে খান অনেকেই। সকালে খালি পেটে জিরে-মৌরি ভেজানো জল খেলে বদহজম, গ্যাসের সমস্যা কমবে। জল শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বার করে দিতে সহায়ক।

Advertisement

সাদা তিল: ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাসে ভরপুর সাদা তিলে মেলে শরীরের পক্ষে উপকারী ফ্যাট। হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে, হার্টের কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফসফরাস হাড়ের জোর বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। বয়সকালে হাড়ের ঘনত্ব স্বাভাবিক থাকলে অস্টিয়োপোরোসিসে আক্রান্ত হওয়ার ভয় কমে। তিলেই ‘সিস্যামোলিন্‌স’ এবং ‘সেসামিন’ নামক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে। এই দু’টি উপাদান অক্সিডেটিভ স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তিল শুকনো খোলায় হালকা নেড়েচেড়ে স্যালাডে, স্মুদিতে খেতে পারেন। রান্নাতেও ব্যবহার করা যায় তিলবাটা।

Bone Density Metabolism Food habits
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy