Advertisement
E-Paper

বসন্ত আসার আগেই পক্সের মতো ফোস্কা দেখা দিচ্ছে গায়ে? হারপিস জস্টারে আক্রান্ত নন তো?

বয়স বাড়লে এই ভাইরাস থেকেই হারপিস জ়স্টার রোগে আক্রান্ত হন অনেকে। হারপিস জ়স্টার রোগের জন্য ভেরিসেলা জস্টার ভাইরাসটি দায়ী। কেউ যদি এক বার চিকেন পক্সে আক্রান্ত হন, তা হলেই ভবিষ্যতে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:২৫
হারপিস জস্টার রোগের ঝুঁকি কাদের বেশি?

হারপিস জস্টার রোগের ঝুঁকি কাদের বেশি? ছবি: শাটারস্টক।

অনেকের ধারণা, এক বার চিকেন পক্স শরীরে হানা দিলে আর এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা নেই। কিন্তু অনেক সময়েই এই রোগের ভাইরাস শরীরে থেকে যায়। বয়স বাড়লে এই ভাইরাস থেকেই হারপিস জ়স্টার রোগে আক্রান্ত হন অনেকে। হারপিস জ়স্টার রোগের জন্য ভেরিসেলা জস্টার ভাইরাসটি দায়ী। কেউ যদি এক বার চিকেন পক্সে আক্রান্ত হন, তা হলেই ভবিষ্যতে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। বয়স বাড়লে যখন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় কিংবা ডায়াবিটিস, ক্যানসার, এইচআইভির মতো রোগের কারণে যাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গিয়েছে, তাঁদেরও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। হারপিস জস্টার রোগ তীব্র যন্ত্রণা ও বেদনার কারণ হতে পারে, বিশেষ করে বয়স্কদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

উপসর্গ কী?

এই রোগে মূলত শরীরের নির্দিষ্ট কিছু অংশে, যেমন মুখ, ঘাড়, পিঠ, বুক ও পেটে ফোস্কা, র‌্যাশ দেখা যায়। এই রোগে আক্রান্ত হলে মাঝে মাঝে জ্বর আসে। ফোস্কার স্থানগুলিতে স্নায়ু ধরে তীব্র যন্ত্রণা অনুভূত হয়। তবে পক্সের মতো এই রোগে সারা গা জুড়ে ফোস্কা পড়ে না। এই যন্ত্রণা বেশ কিছু দিন ভোগায় রোগীকে। চিকিৎসক সুবর্ণ গোস্বামী বলেন, ‘‘এই রোগের থেকে বাঁচতে জন্মের পরেই টিকা নেওয়া জরুরি। তবে টিকা নিলেই যে আর এই রোগ হবে না, এমনটা ভুল। টিকা নিলে রোগ হলেও সংক্রমণের তীব্রতা কম হবে। এই রোগের উপসর্গগুলি দেখলেই ফেলে না রেখে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। ট্যাবলেট ও মলম, দুই-ই ব্যবহার করে এই রোগ থেকে সেরে ওঠা যায়। এই রোগে মৃত্যু হয় না। তবে অনেকের ক্ষেত্রেই যন্ত্রণা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে পৌঁছোতে পারে। চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকলে এই রোগ থেকে দ্রুত সেরে ওঠা যায়।’’

অনেক রোগীর ক্ষেত্রে দেখা যায়, তিন মাস পরেও স্নায়ুতে যন্ত্রণা কমে না, সারা জীবন এই যন্ত্রণা মাঝে মাঝেই ভোগান্তির কারণ হয়। এই যন্ত্রণা কিন্তু কোনও ওষুধে সারে না। যদি কারও চোখে হারপিস হয়, তা হলে কিন্তু দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকিও থাকে।

কোভিডের পর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গিয়েছে অনেকের। তাই বয়স্কদের শরীরে সহজেই হানা দিচ্ছে এই ভাইরাস। এই যন্ত্রণার হাত থেকে রেহাই পেতে টিকাকরণ জরুরি। ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত এই টিকা নেওয়া যায়।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy