সকালে তাড়াহুড়ো করে খেয়ে বেরিয়ে বাসে বা ট্রেনে চেপে অফিসে পৌঁছনোর পরেই শরীরে কেমন একটা অস্বস্তি হয়। দীর্ঘ সময় বসে কাজ, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা তো থাকেই, কাজ শেষ করার তাড়ায়, শরীর আনচান করে মাঝেমধ্যেই। দিনভর দফায় দফায় চা-কফি খাওয়া তো আছেই। কখনও বিরতি নিয়ে বেরিয়ে গিয়ে ফুচকা বা ঘুঘনি খেয়ে আসাও চলতেই থাকে। রোজের এই অনিয়মের কারণে পেটের সমস্যা হয় অনেকেরই। পেটে যন্ত্রণা, কিছু খেলেই বমি ভাব, এই সব সমস্যা যদি থাকে, তা হলে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ তো খাবেনই, কিছু ঘরোয়া পথ্যও জেনে রাখুন।
অফিসে হোক বা রাস্তাঘাটে, বাসে যাওয়ার সময়ে অথবা কিছু খাওয়ার পর পরই বমি ভাব হয় অনেকের। এই সমস্যা সমাধানের জন্য ঘরোয়া কী কী উপায় আছে, জেনে নিন।
আদা ও মধুর চা
এক কাপ জলে কয়েক টুকরো আদা দিয়ে ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিন। জল ছেঁকে তাতে এক চামচ মধু মিশিয়ে ধীরে ধীরে চুমুক দিয়ে পান করুন।
জোয়ান ও বিট নুন
এক চামচ জোয়ান হালকা ভেজে গুঁড়ো করে নিন। তাতে সামান্য বিট নুন মিশিয়ে ঈষদুষ্ণ জল দিয়ে খেয়ে নিন।
আরও পড়ুন:
লবঙ্গ ও মিছরির জল
লবঙ্গ বমি ভাব কমাতে খুব উপযোগী। ২-৩টি লবঙ্গ হালকা থেঁতো করে এক কাপ জলে ফুটিয়ে নিন। তাতে অল্প মিছরি মিশিয়ে সেই জল পান করুন। অথবা সরাসরি মুখে একটি লবঙ্গ রাখতে পারেন।
শসা খেতে পারেন
যদি দুপুরের খাওয়ার আগে বমি ভাব হয়, তা হলে ভারী খাবার খাবেন না। শুকনো মুড়ির সঙ্গে শশা খেতে পারেন। শসা খুব তাড়াতাড়ি গা গোলানো, বমি ভাব দূর করতে পারে। শরীর ঠান্ডাও রাখে। বেশি নুন দিয়ে আবার শশা খাবেন না।
আকুপ্রেশার পদ্ধতি
‘আকুপ্রেশার’ পদ্ধতি কার্যকরী হতে পারে। হাতের কব্জি থেকে তিন ইঞ্চি নীচে মাঝামাঝি ‘পি৬’ পয়েন্ট আছে। এই জায়গাটি ধরে নাড়ি পরীক্ষাও করা হয়। সেখানে বুড়ো আঙুল দিয়ে চেপে ধরে ঘড়ির কাঁটার দিকে আঙুলটি চাপ দিয়ে ঘোরান। ৫ মিনিট ঠিকমতো করতে পারলে, দেখবেন শরীর অনেক ঠিক লাগছে।