মরসুম বদলের সময়টাতে শুকনো কাশি খুব ভোগায়। বিশেষ করে হাঁপানি বা সিওপিডির রোগীদের এই সময়টাতে শুকনো কাশি, শ্বাসের সমস্যা অনেক বেড়ে যায়। কাশি শুরু হলে তা থামতেই চায় না। রাতভর কাশির দমকে কষ্ট পেতে হয়। এ দিকে কাশির সিরাপ নিয়েও আতঙ্ক কম নয়। কাশির ওষুধ বেশি খাওয়া নাকি বিপজ্জনক। তা হলে উপায়?
ভেষজ চায়ে আছে নানা রকম পুষ্টিগুণ যা শ্বাসনালিতে জমা মিউকাস বার করে দিতে পারে। শ্লেষ্মাজনিত সমস্যা থাকলে বা শ্বাসকষ্ট ভোগালেও, আরাম দিতে পারে ভেষজ চা। কী ভাবে বানিয়ে খাবেন, জেনে নেওয়া যাক।
তেজপাতার চা
নাক বন্ধ, নাক দিয়ে অনবরত জল পড়া, শুকনো কাশি হতে থাকলে লবঙ্গ, আদা, গোলমরিচ, তেজপাতা ফুটিয়ে নিয়ে চায়ের মতো পান করুন। এতেও অনেক উপকার পাওয়া যায়। রাতভর যাঁরা কাশিতে কষ্ট পাচ্ছেন, তাঁরা দিনে বার তিনেক তেজপাতা ফুটিয়ে চা পান করতে পারেন।
আরও পড়ুন:
আদা-গোলমরিচের চা
আদা প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে যা শুকনো কাশি কমাতে পারে। ১ ইঞ্চি আদা কুচি, ৪-৫টি গোলমরিচ (থেঁতো করা), ১ চামচ গুড় এবং ২ কাপ জল নিতে হবে। জল ফুটিয়ে আদা ও গোলমরিচ দিন। জল অর্ধেক হয়ে এলে গুড় মিশিয়ে নামিয়ে নিন। দিনে দু'বার খেলে কাশি, গলাব্যথা কমে যাবে।
মধু ও দারচিনির চা
এক চাপ জলে ১ ইঞ্চির মতো দারচিনি ফুটিয়ে নিন। জলের রং বদলালে তাতে লবঙ্গ দিন। ভাল করে ফুটিয়ে নামিয়ে নিন। এ বার এতে মধু মিশিয়ে পান করুন। দিনে দু'বার করে খেলে কাশি, শ্বাসের সমস্যা কমে যাবে।