Advertisement
E-Paper

মুখে দুর্গন্ধ, সঙ্গে গলাব্যথাও রয়েছে? টনসিলে স্টোন হয়নি তো? কোন কোন উপসর্গ দেখে নিশ্চিত হবেন

খাওয়ার পর ঠিকমতো মুখ না ধুলে, পর্যাপ্ত জল না খেলে, দাঁতের গোড়ায় খাবারের অংশ আটকে থাকলে বা দাঁতের এনামেল নষ্ট হলেও মুখ থেকে খারাপ গন্ধ বেরোতে পারে। তবে শুধু তা-ই নয়, টনসিল স্টোনও হতে পারে নেপথ্যের কারণ।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৫ জুন ২০২৬ ১১:০৮
Why do people get tonsil stones, and who’s at higher risk

টনসিল স্টোন কেন হয়? ছবি: সংগৃহীত।

কথা বলার সময় কারও মুখ থেকে যদি দুর্গন্ধ আসে, সে এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতি। কলেজ হোক বা অফিস, কারও মুখ থেকে গন্ধ এলে, সে কথা মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়তে খুব বেশি সময় লাগে না। সাধারণত দাঁত, দাঁতের গোড়া, মাড়ি, জিভ, মুখগহ্বরে কোনও সংক্রমণ হলে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। তাই খাওয়ার পর ঠিক মতো মুখ না ধুলে, পর্যাপ্ত জল না খেলে, দাঁতের গোড়ায় খাবারের অংশ আটকে থাকলে বা দাঁতের এনামেল নষ্ট হলেও মুখ থেকে খারাপ গন্ধ বেরোতে পারে। তবে শুধু তা-ই নয়, টনসিল স্টোনও হতে পারে নেপথ্যের কারণ।

শুধু মুখে দুর্গন্ধই নয়, এর সঙ্গে গলায় সারা ক্ষণ কিছু আটকে থাকার মতো পরিস্থিতি, কাশির সঙ্গে মাঝেমাঝে বেরিয়ে আসে ছোট ছোট সাদা দানা, গলা খুশখুশ বা জ্বালাভাব— এ সবই হতে পারে টনসিল স্টোন বা টনসিলোলিথের লক্ষণ।

যে খাবার খাচ্ছেন, তার কিছু অংশ, কিছু জীবাণু, কিছু মৃত কোষ, মৃত টিস্যু আর শ্লেষা— টনসিলের গর্তের মধ্যে জমে ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে যায়। এগুলি সাধারণত বিপজ্জনক নয়, কিন্তু অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ ক্ষেত্রে কখনও কখনও গলা থেকে কানের দিকেও ব্যথা ছড়িয়ে যায়। গলা থেকে বেরোনো সব সাদা দানাই কিন্তু ক্যানসার নয়, আবার মুখের দুর্গন্ধ মানেই পেটের সমস্যা বেড়েছে, এমনটাও সব সময় ভাবার কোনও কারণ নেই। সমস্যা লুকিয়ে থাকতে পারে টনসিলের মধ্যেই।

কাদের এই সমস্যা বেশি হয়?

১) যাঁদের ঘন ঘন টনসিলে সংক্রমণ হয়

২) যাঁদের টনসিলে গভীর গর্ত বা ক্রিপ্টস আছে

৩) যাঁরা যঠিক ভাবে মুখের পরিচ্ছন্নতার খেয়াল রাখেন না

৪) নাকের শ্লেষ্মা গিলে ফেলেন যাঁরা

অস্বস্তির কারণে অনেকেই আঙুল, কটন বাড, টুথব্রাশ দিয়ে খুঁচিয়ে টনসিল স্টোন বার করার চেষ্টা করেন। এতে টনসিলে আঘাত লাগতে পারে, রক্তপাত হতে পারে, সেই সঙ্গে সংক্রমণের ঝুঁকিও থাকতে পারে।

কী করলে অস্বস্তি কমবে?

১) ঈষদুষ্ণ নুন-জলে গার্গল করতে পারেন

২) বেশি করে জল খেতে হবে

৩) দাঁত মাজার সময় জিভ ভাল করে পরিষ্কার করতে হবে

৪) মুখ আর দাঁতের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে

৫) ধূমপান বন্ধ করতে হবে

অস্বস্তি বেশি বাড়লে, কিংবা যন্ত্রণা বেশি হলে, কিংবা বার বার সংক্রমণ হলে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরমর্শ করতে হবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার আর টনসিলেক্টমি করাতে হতে পারে।


Tonsil Pain Tonsilitis

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy