শীত প্রায় চলে গিয়েছে। আর বসন্ত মানেই তো নানা রোগের আগমন। মরসুমি সংক্রমণ ঠেকাতে যে খাবারটি সবার আগে খেতে হবে, তা হল দই। অনেকেই রোজের ডায়েটে দই রাখেন। কেউ বাড়িতে বানিয়ে নেন। কেউ আবার দোকান থেকে কিনে খান। তবে দই ফ্রিজেই রাখুন বা বাইরে, তার উপর খানিকটা জল বেরিয়ে আসে। অনেকেই দই খাওয়ার সময় সেই জল আগে ফেলে দেন, তার পর ঘন দইটাই খান। দইয়ের উপরে জমে থাকা সেই জলেই কিন্তু লুকিয়ে পুষ্টিগুণ। ফেলে দেওয়ার আগে জেনে নিন ঠিক কী কী কারণে এই জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
দইয়ের উপরে যে পাতলা জলের স্তরটি থাকে, সেটি আসলে ওয়ে প্রোটিন। অনেকেরই ধারণা থাকে, দই নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে জল বেরিয়েছে, তা কিন্তু নয়। দইয়ের জমাট বাঁধা অংশের মতোই উপকারিতা রয়েছে তরল অংশেও। ওই টক স্বাদের জলে থাকে ল্যাক্টোজ়, ওয়ে প্রোটিন, ক্যালশিয়াম, পটাশিয়াম। থাকে বিভিন্ন প্রকার ব্যাক্টেরিয়া, যা পেটের জন্য ভীষণ জরুরি।
স্বাস্থ্য সচেতন অনেক মানুষই ওয়ে প্রোটিন কিনে খান। অথচ বাড়িতে সেই ওয়ে প্রোটিন ফেলে দিচ্ছেন নিজের অজান্তেই। ফারমেন্টেশন বা গাঁজন প্রক্রিয়ায় দই তৈরি হওয়ার সময় দইয়ের থেকে জল আলাদা হয়ে বেরিয়ে আসে, এটা খুবই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। দই খাওয়ার সময় এই জল ফেলে দিলে দইয়ের অর্ধেক পুষ্টিগুণই পৌঁছোয় না শরীরে। বাজারে যে ওয়ে প্রোটিন পাওয়া যায়, সেটিও ঠিক একই পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়। তবে সে ক্ষেত্রে ওয়ে প্রোটিন আলাদা করে ছেঁকে, প্রক্রিয়া করে, শুকনো করে তার পর বাক্সবন্দি করে বিক্রি করা হয়।